পাঠ্যবই উত্তর দেয় না, কিন্তু পরীক্ষায় ঠিক এই বোঝাপড়াটাই কাজে লাগে। বিভাগ বেছে নাও।
ফ্যানের নিচে আরাম লাগে — তাহলে ঘর ঠান্ডা হয় না কেন?
উত্তরটা দেখোতাহলে বিশুদ্ধ পানিতে হাত দিলে শক লাগে না কেন?
উত্তরটা দেখোতাপমাত্রা তো প্রায় পরম শূন্য — তাহলে মহাকাশচারী পুড়ে যান কেন?
উত্তরটা দেখোপ্রবাদটা এত প্রচলিত যে অনেকে সত্যি ভাবে।
উত্তরটা দেখোশুধু নিয়ম বলে থামিয়ে দেওয়া, নাকি সত্যিই বাধা আছে?
উত্তরটা দেখোএকটা ছোট যন্ত্রাংশ — অথচ একে "বিংশ শতাব্দীর সেরা আবিষ্কার" বলা হয়।
উত্তরটা দেখোহাজার বছরের পুরনো হাড় দেখে কী করে বলা যায় কত বছর আগের?
উত্তরটা দেখোরোদ পড়লেই বিদ্যুৎ — মাঝখানে কোনো যন্ত্র ঘোরে না কেন?
উত্তরটা দেখোগরমকালে তো এমন হয় না — শীতেই কেন?
উত্তরটা দেখোএকই আলো, অথচ বিদ্যুৎ বিল অর্ধেকেরও কম।
উত্তরটা দেখোতিন নম্বর তারটা তো কোনো কাজেই লাগে না — তবু থাকে কেন?
উত্তরটা দেখোঘরে তো ২২০ ভোল্ট লাগে — তাহলে তারে লাখ ভোল্ট কেন?
উত্তরটা দেখোপানি দিয়ে থার্মোমিটার বানালে সমস্যা কী?
উত্তরটা দেখোএকই জায়গায় ২৪ ঘণ্টায় ৩০ ডিগ্রির পার্থক্য কীভাবে?
উত্তরটা দেখোতাহলে মরুভূমির মানুষ কালো পোশাক পরে কেন?
উত্তরটা দেখোঠান্ডা তো বানানো যায় না — তাহলে তাপটা যায় কোথায়?
উত্তরটা দেখোআলো তো শরীর ভেদ করে না — এক্স-রে করে কীভাবে?
উত্তরটা দেখোদুটোই তো কালো — একটার দাম দ্বিগুণ কেন?
উত্তরটা দেখোসাদা আলো পড়ছে, তবু সাতরঙ বেরিয়ে আসে — রঙটা কোথা থেকে?
উত্তরটা দেখোচামচ তো সোজাই আছে — চোখ কেন উল্টো বলে?
উত্তরটা দেখো"মাইনাস দুই পাওয়ার" শুনি — এই সংখ্যাটা আসলে কী মাপে?
উত্তরটা দেখোচাঁদ তো প্রতি মাসেই পৃথিবী আর সূর্যের মাঝে আসে।
উত্তরটা দেখোআকাশের উপগ্রহ কী করে জানে আপনি কোথায় দাঁড়িয়ে?
উত্তরটা দেখোচাঁদ যদি একদিকে টানে, তাহলে জোয়ার একবার হওয়ার কথা।
উত্তরটা দেখোচাঁদ কি ঘোরে না? ঘুরলে অন্য পাশ দেখা যাওয়ার কথা।
উত্তরটা দেখোশীতকালে পৃথিবী সূর্যের কাছেই থাকে — তবু ঠান্ডা কেন?
উত্তরটা দেখোএকই ফুঁ, দুই রকম ফল — পার্থক্যটা কোথায়?
উত্তরটা দেখোপানির তাপমাত্রা তো সারা বছর প্রায় একই থাকে — তাহলে?
উত্তরটা দেখোএকই পাত্র, একই আগুন — তবু দুধ চোখের পলকে উপচে যায়।
উত্তরটা দেখোদাঁড়িয়ে থাকলে পড়ে যায়, চললে পড়ে না — চাকা ঘোরার সাথে সম্পর্ক কী?
উত্তরটা দেখোমাত্র কয়েক ফুট নামলেই কানে চাপ লাগে — এত তাড়াতাড়ি কেন?
উত্তরটা দেখোশক্ত খোলসটাই সব নয় — আসল কাজ করে ভেতরের ফোমটা।
উত্তরটা দেখোমসৃণ টায়ার তো বেশি জায়গা ছোঁবে — ঘর্ষণ বেশি হওয়ার কথা নয়?
উত্তরটা দেখোদুই পাটির মাঝে ওই ছোট ফাঁকটা না রাখলে কী হতো?
উত্তরটা দেখোপাঠ্যবই থেকে সোশ্যাল মিডিয়া — সবাই বলে। বাস্তবতা কী?
উত্তরটা দেখোসুইচ টিপলেই বাতি জ্বলে — ইলেকট্রন কি আলোর বেগে ছোটে?
উত্তরটা দেখোপাথর আর পালক একসাথে ছাড়লে পাথরই তো আগে পড়ে।
উত্তরটা দেখোবাস মোড় নিলে বাইরের দিকে ঠেলে — কে ঠেলে?
উত্তরটা দেখোপৃথিবীর সবচেয়ে বিখ্যাত সমীকরণ — কিন্তু মানে কী?
উত্তরটা দেখো৪৬০ কোটি বছর ধরে জ্বলছে। কয়লা হলে কয়েক হাজার বছরেই শেষ হয়ে যেত।
উত্তরটা দেখোদুটোতেই ইউরেনিয়াম, তাহলে বিদ্যুৎকেন্দ্র বোমার মতো ফাটে না কেন?
উত্তরটা দেখোঅর্ধায়ু ১০ বছর মানে কি ২০ বছরে সব শেষ?
উত্তরটা দেখোনিউটন বললেন কণা, হাইগেন্স বললেন তরঙ্গ। শেষ পর্যন্ত কে জিতল?
উত্তরটা দেখোনিউক্লিয়াস যদি ফুটবল হয়, ইলেকট্রন ঘোরে কয়েক কিলোমিটার দূরে। এত ফাঁকা জায়গা দিয়ে হাত যায় না কেন?
উত্তরটা দেখোহাত রাখলে ঠান্ডা, অথচ কড়াই টগবগ করছে।
উত্তরটা দেখোব্যাটারি তো DC দেয় — তাহলে গ্রিডে AC কেন?
উত্তরটা দেখো১০০% থেকে হঠাৎ ২০% — শীতের সকালে চেনা দৃশ্য।
উত্তরটা দেখোরাবারের টায়ারের জন্য — এটাই কি আসল কারণ?
উত্তরটা দেখো১১ হাজার ভোল্টের তার — অথচ কাক দিব্যি বসে থাকে।
উত্তরটা দেখোঘাম তো শরীরের ভেতর থেকেই আসা গরম পানি।
উত্তরটা দেখোসে কী করে বোঝে ভেতরে চা না শরবত?
উত্তরটা দেখোফ্রিজ তো ঠান্ডা বানায় — দরজা খুললে ঘরও ঠান্ডা হওয়ার কথা।
উত্তরটা দেখোশতাব্দীর পর শতাব্দী চেষ্টা — একটাও কাজ করেনি। কেন?
উত্তরটা দেখোদুটোই তো একই ঘরে, একই তাপমাত্রায়।
উত্তরটা দেখোসাদা কি একটা রঙ, নাকি সব রঙের মিশ্রণ?
উত্তরটা দেখোআলো তো সোজা চলে — তাহলে বাঁকা তারের ভেতরে কিলোমিটারের পর কিলোমিটার যায় কীভাবে?
উত্তরটা দেখোপিচঢালা রাস্তায় দূরে পানি দেখা যায়, কাছে গেলে নেই।
উত্তরটা দেখোসাবান-পানি তো বর্ণহীন — তবু রামধনু।
উত্তরটা দেখোআয়না কি জানে কোনটা বাঁ আর কোনটা ডান?
উত্তরটা দেখোবৃষ্টির পর সূর্যের উল্টো দিকে তাকালেই দেখা যায় — কেন?
উত্তরটা দেখোসিনেমায় মহাকাশযান বিকট শব্দে ফাটে — বাস্তবে কী হয়?
উত্তরটা দেখোআলোর তো ভর নেই — মহাকর্ষ তাকে ধরবে কীভাবে?
উত্তরটা দেখোদুটোই তো আলোর বিন্দু — পার্থক্য কোথায়?
উত্তরটা দেখোমহাবিশ্ব যদি অসীম আর চিরন্তন হতো, প্রতিটা দৃষ্টিরেখা কোনো না কোনো তারায় গিয়ে ঠেকত — আকাশ হতো ঝলমলে সাদা।
উত্তরটা দেখোসবচেয়ে বেশি ভুল বোঝা প্রশ্নটা।
উত্তরটা দেখোমহাকর্ষ তো টানছেই — তবু পড়ে না।
উত্তরটা দেখোএকই সূর্য, একই বাতাস — দিনে নীল, সন্ধ্যায় লাল।
উত্তরটা দেখোপানি তো ১০০°C-এ বাষ্প হয়, রোদে তো ৩৫°C।
উত্তরটা দেখোভেতরে আগুন নেই, তবু খাবার গরম হয় — অথচ প্লেট ঠান্ডা থাকে।
উত্তরটা দেখোকঠিন অবস্থা তো তরলের চেয়ে ঘন হওয়ার কথা — পানি ব্যতিক্রম কেন?
উত্তরটা দেখোএকই আগুন, একই পানি — তবু সময় অর্ধেক।
উত্তরটা দেখোবাস ব্রেক কষলে সবাই একসাথে সামনে হেলে পড়ে — কে ঠেলল?
উত্তরটা দেখোমৃত সাগরে মানুষ বই পড়তে পড়তে ভাসে — কেন?
উত্তরটা দেখো২ কিলোমিটার উপর থেকে পড়া জিনিস তো মারাত্মক বেগে আসার কথা।
উত্তরটা দেখোফুঁ-এর বাতাস তো ঘরের তাপমাত্রারই — তবু কাজ হয় কীভাবে?
উত্তরটা দেখোএই নামে কিছু পাওয়া গেল না।
পরীক্ষা ও প্র্যাকটিস
লিখিত ও সমাধান
শেখা ও রেফারেন্স
প্রিমিয়াম