মহাকর্ষ ভরকে টানে না, স্থান-কালকে বাঁকায়। ব্ল্যাক হোলের কাছে বক্রতা এত তীব্র যে বাইরে যাওয়ার কোনো পথই আর অবশিষ্ট থাকে না।
নিউটনের ছবিতে মহাকর্ষ একটা বল, আর ভরহীন আলোতে সেটা কাজ করার কথা নয়। আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতায় ছবিটা আলাদা: ভর স্থান-কালকে বাঁকিয়ে দেয়, আর সব বস্তু — আলোসহ — সেই বাঁকা স্থান-কালে সবচেয়ে সোজা পথ ধরেই চলে। পথটাই বাঁকা।
ব্ল্যাক হোলের চারপাশে একটা সীমা আছে, নাম ঘটনা দিগন্ত। এর ভেতরে বক্রতা এতই তীব্র যে সব সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ পথ কেন্দ্রের দিকে নির্দেশ করে। বাইরে যাওয়া "উপরে ওঠা" নয়, বরং "অতীতে ফেরা"-র মতো অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।
মজার ব্যাপার, নিউটনীয় হিসাবেও একটা সীমা পাওয়া যায়। মুক্তিবেগ v = √(2GM/R) — এটাকে আলোর বেগের সমান ধরলে R = 2GM/c², যা শোয়ার্জশিল্ড ব্যাসার্ধ। পৃথিবীকে ব্ল্যাক হোল বানাতে হলে তাকে ৯ মিলিমিটার ব্যাসার্ধে চাপতে হবে।
ব্ল্যাক হোল পুরোপুরি কালো নয় — হকিং দেখিয়েছিলেন ঘটনা দিগন্তে কোয়ান্টাম প্রভাবে সামান্য বিকিরণ বেরোয়। তবে তারকা-ভরের ব্ল্যাক হোলের জন্য সেই তাপমাত্রা এক ডিগ্রির কোটি ভাগের এক ভাগ।
পরীক্ষা ও প্র্যাকটিস
লিখিত ও সমাধান
শেখা ও রেফারেন্স
প্রিমিয়াম