শব্দ একটা যান্ত্রিক তরঙ্গ, চলতে মাধ্যম লাগে। মহাশূন্যে অণুর ঘনত্ব এত কম যে কম্পন এক অণু থেকে আরেক অণুতে পৌঁছাতেই পারে না।
শব্দ মানে মাধ্যমের কণাগুলোর পর্যায়বৃত্ত সংকোচন-প্রসারণ। এক কণা ধাক্কা দেয় পাশেরটাকে, সে আরেকটাকে — এভাবে কম্পন এগোয়। কণা না থাকলে ধাক্কা দেওয়ার কেউ নেই।
মহাশূন্যে প্রতি ঘন সেন্টিমিটারে গড়ে একটার মতো পরমাণু থাকে; পৃথিবীর বাতাসে সংখ্যাটা প্রায় ১০¹⁹। দুই অণুর মধ্যে গড় দূরত্ব কয়েক সেন্টিমিটার হলে ধাক্কাধাক্কির শৃঙ্খল আর তৈরি হয় না।
আলো এই সমস্যায় পড়ে না, কারণ তড়িৎচুম্বক তরঙ্গের মাধ্যম লাগে না — তড়িৎ ও চৌম্বক ক্ষেত্র একে অপরকে জন্ম দিতে দিতে শূন্যেই এগোয়। তাই মহাকাশে দেখা যায়, শোনা যায় না।
একেবারে শোনা যায় না বলা যাবে না — গ্যালাক্সি গুচ্ছের ভেতরের গরম গ্যাসে চাপ তরঙ্গ চলে। পার্সিয়াস গুচ্ছে ধরা পড়া একটা তরঙ্গের কম্পাঙ্ক মধ্য "সি" স্বরের চেয়ে ৫৭ অকট্যাভ নিচে।
পরীক্ষা ও প্র্যাকটিস
লিখিত ও সমাধান
শেখা ও রেফারেন্স
প্রিমিয়াম