প্রতিটা বৃষ্টিফোঁটা ছোট্ট প্রিজম আর আয়নার কাজ করে। আলো ঢুকে বিচ্ছুরিত হয়, ভেতরে প্রতিফলিত হয়ে ৪২° কোণে ফিরে আসে। এই ধ্রুব কোণটাই বৃত্ত বানায়।
একটা গোলাকার বৃষ্টিফোঁটায় সূর্যের আলো ঢোকার সময় প্রতিসৃত হয়, পেছনের দেয়ালে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন হয়, বেরোনোর সময় আবার প্রতিসৃত হয়। পানির প্রতিসরাঙ্ক রঙভেদে সামান্য আলাদা (লালের জন্য ১.৩৩১, বেগুনির ১.৩৪৩), তাই রঙগুলো আলাদা কোণে বেরোয় — এটাই বিচ্ছুরণ।
হিসাব করলে দেখা যায় লাল আলো আপতিত রশ্মির সাথে প্রায় ৪২° আর বেগুনি প্রায় ৪০° কোণে ফিরে আসে।
এখন ভাবো: তোমার চোখ থেকে সূর্যের বিপরীত দিকে একটা কাল্পনিক অক্ষ টানো। যেসব ফোঁটা সেই অক্ষের সাথে ঠিক ৪২° কোণে আছে, শুধু সেগুলো থেকেই লাল আলো চোখে আসবে। এক নির্দিষ্ট কোণে থাকা সব বিন্দু মিলে হয় একটা বৃত্ত — তাই রংধনু বৃত্তচাপ।
মাটিতে দাঁড়ালে বৃত্তের নিচের অংশ দিগন্তে কাটা পড়ে, তাই অর্ধবৃত্ত দেখি।
বিমান থেকে বা উঁচু পাহাড় থেকে পুরো গোল রংধনু দেখা যায়। দ্বিতীয় (ম্লান) রংধনুতে আলো ফোঁটার ভেতরে দুবার প্রতিফলিত হয় — তাই রঙের ক্রম উল্টো।
পরীক্ষা ও প্র্যাকটিস
লিখিত ও সমাধান
শেখা ও রেফারেন্স
প্রিমিয়াম