সূর্য পোড়ে না, সেখানে নিউক্লিয় সংযোজন ঘটে — চারটা হাইড্রোজেন নিউক্লিয়াস মিলে একটা হিলিয়াম হয়, আর সামান্য ভর শক্তিতে বদলে যায় (E = mc²)।
সূর্যের কেন্দ্রে তাপমাত্রা প্রায় ১.৫ কোটি ডিগ্রি আর চাপ পৃথিবীর বায়ুচাপের ২৫ হাজার কোটি গুণ। এই অবস্থায় হাইড্রোজেন নিউক্লিয়াসগুলো নিজেদের বিকর্ষণ কাটিয়ে জোড়া লেগে যায়।
মোট বিক্রিয়া: ৪ ¹H → ⁴He + ২e⁺ + ২ν + শক্তি। হিসাব করলে দেখা যায়, বিক্রিয়ার আগে ও পরে ভরের পার্থক্য মূল ভরের প্রায় ০.৭%। সেই হারানো ভর শক্তি হয়ে বেরোয়।
সূর্য প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৬০ কোটি টন হাইড্রোজেন হিলিয়ামে বদলায়, আর তাতে হারায় প্রায় ৪২ লক্ষ টন ভর। E = mc² দিয়ে হিসাব করলে ক্ষমতা দাঁড়ায় প্রায় ৩.৮ × ১০²⁶ ওয়াট।
কেন্দ্রে তৈরি একটা ফোটন বাইরে বেরোতে গড়ে হাজার হাজার বছর লাগে — বারবার শোষিত ও পুনঃবিকিরিত হতে হয়। কিন্তু সূর্যপৃষ্ঠ থেকে পৃথিবীতে আসতে লাগে মাত্র ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড।
সূর্যের কেন্দ্রে প্রতি ঘন মিটারে যে শক্তি উৎপন্ন হয়, তা একটা কম্পোস্ট স্তূপের চেয়েও কম। বিশাল শক্তিটা আসে বিপুল আয়তন থেকে, তীব্রতা থেকে নয়।
পরীক্ষা ও প্র্যাকটিস
লিখিত ও সমাধান
শেখা ও রেফারেন্স
প্রিমিয়াম