জ্বালানির বিশুদ্ধতা আর শৃঙ্খল বিক্রিয়ার নিয়ন্ত্রণ — এই দুটোই পার্থক্য। বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউরেনিয়াম বোমার মতো ফাটার মতো বিশুদ্ধই নয়।
প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামে ভাঙনযোগ্য U-235 থাকে মাত্র ০.৭%, বাকিটা U-238। বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানিতে সেটা বাড়িয়ে করা হয় ৩-৫%। বোমার জন্য লাগে ৯০%-এর বেশি। ৪% সমৃদ্ধ জ্বালানিতে বিস্ফোরক শৃঙ্খল বিক্রিয়া শারীরিকভাবেই অসম্ভব — নিউট্রনগুলো U-238-এ শোষিত হয়ে যায়।
দ্বিতীয় পার্থক্য নিয়ন্ত্রণ। চুল্লিতে বোরন বা ক্যাডমিয়ামের নিয়ন্ত্রণ দণ্ড থাকে, যারা বাড়তি নিউট্রন গিলে ফেলে। লক্ষ্য হলো প্রতিটা ভাঙন থেকে ঠিক একটা নতুন ভাঙন — তাহলে শক্তি স্থির হারে বেরোয়। বোমায় লক্ষ্য উল্টো: সংখ্যাটা দ্রুত বাড়তে দেওয়া, যাতে মাইক্রোসেকেন্ডে সব শক্তি একসাথে বেরোয়।
তৃতীয়ত, বোমায় জ্বালানিকে বিস্ফোরক দিয়ে চেপে সংকট ভরে আনা হয় হঠাৎ। চুল্লিতে সেই ব্যবস্থাই নেই।
চেরনোবিল বা ফুকুশিমার দুর্ঘটনা পারমাণবিক বিস্ফোরণ ছিল না — ছিল বাষ্প ও হাইড্রোজেনের রাসায়নিক বিস্ফোরণ, যা তেজস্ক্রিয় পদার্থ ছড়িয়ে দিয়েছিল।
১ কেজি ইউরেনিয়াম-২৩৫ পুরোপুরি ভাঙলে যে শক্তি বেরোয়, তা প্রায় ৩০ লক্ষ কেজি কয়লা পোড়ানোর সমান।
পরীক্ষা ও প্র্যাকটিস
লিখিত ও সমাধান
শেখা ও রেফারেন্স
প্রিমিয়াম