সব লেখা · ৫ মিনিট

E = mc² আসলে কী বলে?

পদার্থবিজ্ঞান শিক্ষক · প্রতিষ্ঠাতা, PhysicsVerseপ্রকাশ:
এক নজরে উত্তর

ভর আর শক্তি আলাদা দুই জিনিস নয়, একই জিনিসের দুই রূপ। c² একটা বিশাল সংখ্যা, তাই সামান্য ভরও বিপুল শক্তির সমতুল্য।

আইনস্টাইনের আগে ভর সংরক্ষণ আর শক্তি সংরক্ষণ ছিল দুটো আলাদা সূত্র। আপেক্ষিকতা দেখাল দুটো আসলে একটাই সূত্র — ভর-শক্তির সংরক্ষণ।

c = ৩ × ১০⁸ মি/সে, তাই c² = ৯ × ১০¹⁶। অর্থাৎ মাত্র ১ গ্রাম ভর সম্পূর্ণ শক্তিতে বদলালে পাওয়া যাবে ৯ × ১০¹³ জুল — প্রায় ২১ কিলোটন TNT-র সমান, হিরোশিমার বোমার কাছাকাছি।

ভুল বোঝাবুঝিটা এখানে: সমীকরণটা বলে না যে ভর "শক্তিতে রূপান্তরিত হয়"। বলে ভর হলোই শক্তির একটা রূপ। একটা গরম লোহার টুকরো ঠান্ডা লোহার চেয়ে সামান্য ভারী, কারণ তাপশক্তিটুকুও ভর হিসেবে গোনা হয়।

সম্পূর্ণ রূপটা আসলে E² = (pc)² + (mc²)²। বস্তু স্থির থাকলে (p = 0) এটা E = mc² হয়ে যায়। আর ফোটনের ভর শূন্য (m = 0) হলেও ভরবেগ আছে, তাই E = pc।

💡 মজার তথ্য

তোমার শরীরের ভর সম্পূর্ণ শক্তিতে বদলালে যে শক্তি পাওয়া যাবে, তা দিয়ে সারা বাংলাদেশ প্রায় ২০ বছর চলবে।

বেশিরভাগ ফিচার একদম ফ্রি · প্রিমিয়াম শুধু বাড়তি প্রস্তুতির জন্য হোমপেজে ফিরি