বালিতে পানি নেই, বাতাসেও আর্দ্রতা নেই। পানির তাপধারণ ক্ষমতা বিশাল — সেটা না থাকায় দিনে দ্রুত গরম, রাতে দ্রুত ঠান্ডা।
পানির আপেক্ষিক তাপ ৪২০০ J/kg·K, বালির প্রায় ৮০০। মানে একই তাপে বালির তাপমাত্রা পাঁচ গুণ বেশি বাড়ে। তাই সকালের রোদেই বালি দ্রুত তেতে ওঠে।
রাতে তাপ যায় বিকিরণে, আর সেটা আটকানোর কাজ করে বাতাসের জলীয় বাষ্প — জলীয় বাষ্প শক্তিশালী গ্রিনহাউস গ্যাস। মরুভূমির শুকনো বাতাসে সেই কম্বল নেই, তাই ভূপৃষ্ঠের তাপ সরাসরি মহাকাশে চলে যায়। বালিও তাপ জমিয়ে রাখতে পারে না।
উপকূলে ঠিক উল্টো ছবি। সমুদ্রের বিপুল পানি দিনে তাপ শুষে রাখে আর রাতে ছাড়ে, তাই দিন-রাতের পার্থক্য অল্প। এই একই কারণে সমুদ্রের কাছের শহরে শীত-গ্রীষ্মের চরম ভাবটাও কম।
সাহারায় রাতের তাপমাত্রা মাঝে মাঝে হিমাঙ্কের নিচে নেমে যায়, অথচ দিনে সেই একই জায়গায় ৫০°C ছুঁয়ে ফেলে।
পরীক্ষা ও প্র্যাকটিস
লিখিত ও সমাধান
শেখা ও রেফারেন্স
প্রিমিয়াম