ঘূর্ণায়মান চাকার কৌণিক ভরবেগ থাকে, আর কৌণিক ভরবেগ দিক বদলাতে চায় না। তবে আসল ভারসাম্য আসে স্টিয়ারিং থেকে।
ঘূর্ণায়মান চাকার কৌণিক ভরবেগ L = Iω, আর এটা একটা ভেক্টর — অক্ষ বরাবর দিক আছে। দিক বদলাতে হলে টর্ক লাগে। সাইকেল কাত হতে শুরু করলে কৌণিক ভরবেগ সেই কাত হওয়ার বিরোধিতা করে, ফলে পড়ে যেতে সময় লাগে।
কিন্তু হিসাব করলে দেখা যায় শুধু এই জাইরোস্কোপিক প্রভাব সাইকেল সোজা রাখার জন্য যথেষ্ট নয়। আসল কাজটা করে স্টিয়ারিং — বাঁ দিকে কাত হলে চালক (প্রায়ই না বুঝেই) হ্যান্ডেল বাঁ দিকে ঘোরায়, ফলে সাইকেল বাঁ দিকে একটা বাঁক নেয় আর কেন্দ্রবিমুখী প্রভাব শরীরকে ডানে ঠেলে সোজা করে দেয়।
এজন্যই খুব ধীরে চললে সাইকেল সামলানো কঠিন — বাঁক নিয়ে ভারসাম্য ফেরানোর মতো যথেষ্ট বেগ থাকে না। আর হ্যান্ডেল শক্ত করে আটকে দিলে চলন্ত সাইকেলও পড়ে যায়।
সামনের কাঁটার সামান্য বাঁকা নকশাটা ইচ্ছাকৃত — এতে কাত হলে চাকা নিজে থেকেই সেদিকে ঘুরে যায়, চালকের হাত না লাগলেও।
পরীক্ষা ও প্র্যাকটিস
লিখিত ও সমাধান
শেখা ও রেফারেন্স
প্রিমিয়াম