পানির চাপ গভীরতার সাথে বাড়ে, P = ρgh। মাত্র ১০ মিটার নামলেই বাড়তি চাপ পুরো বায়ুমণ্ডলের চাপের সমান হয়ে যায়।
তরলের ভেতর h গভীরতায় বাড়তি চাপ P = ρgh। পানির ঘনত্ব ১০০০ kg/m³ ধরে ১০ মিটারে দাঁড়ায় ১০০০ × ৯.৮ × ১০ ≈ ৯৮০০০ Pa — যা প্রায় এক বায়ুমণ্ডল।
কানের পর্দার দুই পাশে চাপের ভারসাম্য থাকা দরকার। বাইরের দিকে পানির চাপ বাড়ছে, ভেতরের দিকে মধ্যকর্ণে আটকে থাকা বাতাসের চাপ আগের মতোই। এই পার্থক্যই পর্দাটাকে ভেতরের দিকে ঠেলে দেয় — সেটাই ব্যথা।
ঢোঁক গিললে বা নাক চেপে ফুঁ দিলে ইউস্টেশিয়ান নালা খুলে যায় আর মধ্যকর্ণে বাতাস ঢুকে চাপ সমান হয়। ডুবুরিরা একে বলে ইকুয়ালাইজিং, আর প্রতি কয়েক ফুট নামার সময়ই এটা করতে হয়।
বিমান ওঠা-নামার সময় কানে তালা লাগে ঠিক উল্টো কারণে — বাইরের চাপ কমে যায়, ভেতরের বাতাস পর্দাটাকে বাইরের দিকে ঠেলে।
পরীক্ষা ও প্র্যাকটিস
লিখিত ও সমাধান
শেখা ও রেফারেন্স
প্রিমিয়াম