সংঘর্ষে ভরবেগের পরিবর্তন একই থাকে, কিন্তু ফোম সময়টা বাড়িয়ে দেয়। সময় বাড়লে বল কমে — কারণ বল = ভরবেগের পরিবর্তন ÷ সময়।
নিউটনের দ্বিতীয় সূত্রের ঘাত রূপ: F × Δt = Δp। দুর্ঘটনায় মাথার ভরবেগ শূন্যে নামবেই, অর্থাৎ Δp নির্দিষ্ট। বদলানো যায় শুধু Δt — কত সময় নিয়ে থামছে।
খালি মাথা কংক্রিটে লাগলে থামে হয়তো ১ মিলিসেকেন্ডে। হেলমেটের ভেতরের ফোম চেপে গিয়ে সেই সময় বাড়িয়ে দেয় ৫-৬ মিলিসেকেন্ডে। সময় ছয় গুণ বাড়া মানে বল ছয় ভাগের এক ভাগ — এতেই খুলি ভাঙা আর বেঁচে যাওয়ার পার্থক্য তৈরি হয়।
এজন্যই একবার বড় আঘাত পাওয়া হেলমেট আর ব্যবহার করতে নেই। ফোম একবার চেপে গেলে আর ফুলে ওঠে না, পরেরবার সময় বাড়াতে পারবে না। বাইরের খোলস অক্ষত দেখালেও ভেতরের কাজটা শেষ।
গাড়ির এয়ারব্যাগ, খেলার মাঠের বালি, এমনকি লাফ দিয়ে নামার সময় হাঁটু ভাঁজ করা — সবই একই কৌশল, থামার সময় বাড়ানো।
পরীক্ষা ও প্র্যাকটিস
লিখিত ও সমাধান
শেখা ও রেফারেন্স
প্রিমিয়াম