সব লেখা · ৫ মিনিট

পরমাণু প্রায় পুরোটাই ফাঁকা — তবু দেয়াল ভেদ করি না কেন?

পদার্থবিজ্ঞান শিক্ষক · প্রতিষ্ঠাতা, PhysicsVerseপ্রকাশ:
এক নজরে উত্তর

"কঠিন" মানে ভরাট নয়। হাত আটকায় দুটো কারণে — ইলেকট্রনের মধ্যে বিকর্ষণ, আর পাউলির অপবর্জন নীতি, যা দুই ইলেকট্রনকে একই অবস্থায় থাকতে দেয় না।

পরমাণুর আয়তনের প্রায় ৯৯.৯৯৯৯৯৯৯৯৯% ফাঁকা — এটা সত্যি। কিন্তু "ফাঁকা" মানে সেখানে কিছু নেই তা নয়; সেখানে ইলেকট্রনের তরঙ্গ-অপেক্ষক ছড়িয়ে আছে, আর তার সাথে তড়িৎ ক্ষেত্র।

হাত দেয়ালে ঠেকালে হাতের বাইরের ইলেকট্রন আর দেয়ালের বাইরের ইলেকট্রন কাছাকাছি আসে। দুটোই ঋণাত্মক, তাই কুলম্ব বিকর্ষণ কাজ করে — এটাই প্রথম বাধা।

কিন্তু আসল কারণ আরও গভীর: পাউলির অপবর্জন নীতি। দুটো ইলেকট্রন একই কোয়ান্টাম অবস্থায় থাকতে পারে না। দুই বস্তুকে চাপাচাপি করলে ইলেকট্রনগুলোকে উঁচু শক্তিস্তরে উঠতে বাধ্য করতে হয়, আর সেটার জন্য প্রচুর শক্তি লাগে। এই "অনিচ্ছা"-ই কঠিনতা হিসেবে অনুভূত হয়।

নিউট্রিনো কণারা এই দুটোতেই সাড়া দেয় না — তাই প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি নিউট্রিনো তোমার শরীর ভেদ করে চলে যাচ্ছে, টেরও পাচ্ছ না।

💡 মজার তথ্য

নিউট্রন তারা হলো পাউলির নীতিতে হার মেনে চুপসে যাওয়া পদার্থ — এক চা-চামচ নিউট্রন তারার ভর প্রায় ১০০ কোটি টন।

বেশিরভাগ ফিচার একদম ফ্রি · প্রিমিয়াম শুধু বাড়তি প্রস্তুতির জন্য হোমপেজে ফিরি