"কঠিন" মানে ভরাট নয়। হাত আটকায় দুটো কারণে — ইলেকট্রনের মধ্যে বিকর্ষণ, আর পাউলির অপবর্জন নীতি, যা দুই ইলেকট্রনকে একই অবস্থায় থাকতে দেয় না।
পরমাণুর আয়তনের প্রায় ৯৯.৯৯৯৯৯৯৯৯৯% ফাঁকা — এটা সত্যি। কিন্তু "ফাঁকা" মানে সেখানে কিছু নেই তা নয়; সেখানে ইলেকট্রনের তরঙ্গ-অপেক্ষক ছড়িয়ে আছে, আর তার সাথে তড়িৎ ক্ষেত্র।
হাত দেয়ালে ঠেকালে হাতের বাইরের ইলেকট্রন আর দেয়ালের বাইরের ইলেকট্রন কাছাকাছি আসে। দুটোই ঋণাত্মক, তাই কুলম্ব বিকর্ষণ কাজ করে — এটাই প্রথম বাধা।
কিন্তু আসল কারণ আরও গভীর: পাউলির অপবর্জন নীতি। দুটো ইলেকট্রন একই কোয়ান্টাম অবস্থায় থাকতে পারে না। দুই বস্তুকে চাপাচাপি করলে ইলেকট্রনগুলোকে উঁচু শক্তিস্তরে উঠতে বাধ্য করতে হয়, আর সেটার জন্য প্রচুর শক্তি লাগে। এই "অনিচ্ছা"-ই কঠিনতা হিসেবে অনুভূত হয়।
নিউট্রিনো কণারা এই দুটোতেই সাড়া দেয় না — তাই প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি নিউট্রিনো তোমার শরীর ভেদ করে চলে যাচ্ছে, টেরও পাচ্ছ না।
নিউট্রন তারা হলো পাউলির নীতিতে হার মেনে চুপসে যাওয়া পদার্থ — এক চা-চামচ নিউট্রন তারার ভর প্রায় ১০০ কোটি টন।
পরীক্ষা ও প্র্যাকটিস
লিখিত ও সমাধান
শেখা ও রেফারেন্স
প্রিমিয়াম