ট্রানজিস্টর ছোট বৈদ্যুতিক সংকেত দিয়ে বড় প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এই একটা গুণ দিয়েই বিবর্ধক আর সুইচ — দুটোই বানানো যায়।
ট্রানজিস্টরে তিনটা স্তর — ইমিটার, বেস আর কালেক্টর। বেসে অতি সামান্য প্রবাহ পাঠালে কালেক্টর দিয়ে অনেক বড় প্রবাহ যেতে পারে। অনুপাতটাই প্রবাহ বিবর্ধন গুণাঙ্ক β = IC/IB, সাধারণত ১০০ বা তার বেশি।
এই বিবর্ধন দিয়ে মাইক্রোফোনের ক্ষীণ সংকেত স্পিকার চালানোর মতো বড় করা যায়। আবার বেসে প্রবাহ থাকা বা না থাকা দিয়ে কালেক্টরের পথ খোলা বা বন্ধ করা যায় — অর্থাৎ ১ আর ০। এটাই ডিজিটাল যুক্তির ভিত্তি।
ভালভের তুলনায় ট্রানজিস্টর ছোট, সস্তা, কম বিদ্যুৎ খায় আর অনেক টেকে। আজ একটা মোবাইল প্রসেসরে ট্রানজিস্টরের সংখ্যা কয়েকশো কোটি — কম্পিউটার, ফোন, ইন্টারনেট সবই দাঁড়িয়ে আছে এই একটা যন্ত্রাংশের উপর।
১৯৪৭ সালে প্রথম ট্রানজিস্টর ছিল হাতের তালুর সমান। আজ একই জায়গায় প্রায় এক হাজার কোটি ট্রানজিস্টর বসানো যায়।
পরীক্ষা ও প্র্যাকটিস
লিখিত ও সমাধান
শেখা ও রেফারেন্স
প্রিমিয়াম