জীবিত অবস্থায় দেহে কার্বন-১৪ এর অনুপাত স্থির থাকে। মৃত্যুর পর আর নতুন আসে না, শুধু ক্ষয় হয় — অবশিষ্ট পরিমাণ দেখে সময় হিসাব হয়।
বায়ুমণ্ডলে মহাজাগতিক রশ্মির প্রভাবে সামান্য কার্বন-১৪ তৈরি হয়, যার অর্ধায়ু ৫৭৩০ বছর। গাছ শ্বাস নেওয়ার সময় আর প্রাণী খাবারের সাথে এই কার্বন গ্রহণ করে, তাই জীবিত দেহে C-14 ও C-12 এর অনুপাত বায়ুমণ্ডলের মতোই থাকে।
মৃত্যুর পর আদান-প্রদান বন্ধ। এখন শুধু ক্ষয় চলে, সূত্র N = N₀e−λt। নমুনায় C-14 এর পরিমাণ মেপে N/N₀ বের করলেই t পাওয়া যায়। অর্ধায়ু জানা থাকায় λ = 0.693/T½।
প্রতিটা অর্ধায়ুতে অর্ধেক থেকে যায়। ৫৭৩০ বছরে অর্ধেক, ১১৪৬০ বছরে এক-চতুর্থাংশ। প্রায় ১০ অর্ধায়ুর পর (৫৭ হাজার বছর) অবশিষ্ট এত কম থাকে যে মাপা যায় না — এটাই পদ্ধতিটার সীমা।
শিলা বা জীবাশ্মের বয়স মাপতে ইউরেনিয়াম-সিসা পদ্ধতি লাগে, কারণ ইউরেনিয়াম-২৩৮ এর অর্ধায়ু ৪৫০ কোটি বছর — পৃথিবীর বয়সও এভাবেই বের হয়েছে।
পরীক্ষা ও প্র্যাকটিস
লিখিত ও সমাধান
শেখা ও রেফারেন্স
প্রিমিয়াম