আলোর ফোটন সিলিকনের ইলেকট্রনকে ছিটকে দেয়। p-n সংযোগের ভেতরের ক্ষেত্র সেই ইলেকট্রনগুলোকে এক দিকে ঠেলে দেয় — সেটাই প্রবাহ।
ভিত্তি আলোক তড়িৎ ক্রিয়া, যার ব্যাখ্যা দিয়ে আইনস্টাইন নোবেল পেয়েছিলেন। ফোটনের শক্তি E = hf। এই শক্তি সিলিকনের নিষিদ্ধ শক্তি ব্যবধানের (প্রায় ১.১ eV) চেয়ে বেশি হলে ইলেকট্রন যোজন ব্যান্ড থেকে পরিবহন ব্যান্ডে লাফ দেয়, পেছনে একটা "হোল" রেখে যায়।
প্যানেলে সিলিকনের দুটো স্তর — একটায় বাড়তি ইলেকট্রন (n-টাইপ), অন্যটায় ঘাটতি (p-টাইপ)। সংযোগস্থলে একটা অভ্যন্তরীণ তড়িৎ ক্ষেত্র তৈরি হয়। মুক্ত ইলেকট্রন আর হোল সেই ক্ষেত্রে বিপরীত দিকে ঠেলা খায়, ফলে দুই প্রান্তে বিভব পার্থক্য জন্মায়।
বাইরে তার জুড়লে ইলেকট্রন সেই পথে ঘুরে আসে — এটাই বিদ্যুৎ প্রবাহ। কোনো যান্ত্রিক অংশ নেই বলে প্যানেল বহু বছর টেকে, কিন্তু দক্ষতাও সীমিত — বাণিজ্যিক প্যানেলে ২০% এর আশপাশে।
দক্ষতা ১০০% হতে পারে না, কারণ কম শক্তির ফোটন কাজেই লাগে না আর বেশি শক্তির ফোটনের বাড়তি অংশ তাপ হয়ে যায়। এই তাত্ত্বিক সীমাকে বলে শকলি-কুইজার সীমা, প্রায় ৩৩%।
পরীক্ষা ও প্র্যাকটিস
লিখিত ও সমাধান
শেখা ও রেফারেন্স
প্রিমিয়াম