হাঁটাচলায় শরীরে স্থির আধান জমে। শীতে বাতাস শুকনো থাকে বলে সেই আধান সরে যেতে পারে না, জমতে জমতে হাজার হাজার ভোল্টে পৌঁছায়।
দুটো ভিন্ন পদার্থ ঘষা খেলে একটি থেকে অন্যটিতে ইলেকট্রন সরে যায়। কার্পেটে হাঁটলে বা সোয়েটার খুললে ঠিক এটাই হয় — শরীরে হাজার হাজার ভোল্টের স্থির আধান জমতে পারে।
আর্দ্র বাতাসে জলীয় বাষ্প থাকে, যা সামান্য পরিবাহী। তাই জমার সাথে সাথেই আধান বাতাস দিয়ে সরে যায়, কখনো জমতে পারে না। শীতে বাতাস শুকনো, সেই পথ বন্ধ।
ধাতব হাতল ছোঁয়ার আগমুহূর্তে আঙুল আর হাতলের মাঝের বাতাসে তড়িৎ ক্ষেত্র এত তীব্র হয় যে বাতাসই ভেঙে পরিবাহী হয়ে যায় (প্রায় ৩০ লাখ ভোল্ট প্রতি মিটার লাগে)। তখন হঠাৎ আধান লাফিয়ে যায় — সেটাই ঝটকা আর ক্ষুদ্র স্ফুলিঙ্গ।
ভোল্টেজ কয়েক হাজার হলেও আধানের পরিমাণ অতি সামান্য, তাই বিপদ নেই। বিদ্যুতে বিপদ ভোল্টেজে নয়, প্রবাহে ও সময়ে।
পরীক্ষা ও প্র্যাকটিস
লিখিত ও সমাধান
শেখা ও রেফারেন্স
প্রিমিয়াম