উত্তপ্ত মাটির ঠিক উপরের বাতাস হালকা, তার প্রতিসরাঙ্ক কম। আকাশের আলো নামতে নামতে ক্রমাগত বেঁকে গিয়ে শেষে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনে উপরে ফিরে আসে — মনে হয় মাটি থেকে প্রতিফলিত।
রোদে পিচঢালা রাস্তা প্রচণ্ড গরম হয়। মাটি ঘেঁষা বাতাস তেতে হালকা হয়ে যায়, উপরের বাতাস তুলনায় ঠান্ডা ও ঘন। বাতাসের প্রতিসরাঙ্ক ঘনত্বের সাথে বাড়ে, তাই নিচ থেকে উপরে উঠলে μ ক্রমশ বাড়ে।
আকাশের একটা রশ্মি তির্যকভাবে নামতে থাকলে প্রতিটা স্তরে সে ঘন থেকে হালকা মাধ্যমে ঢোকে — অভিলম্ব থেকে সরে যায়, অর্থাৎ ক্রমশ কম খাড়া হয়। এক পর্যায়ে আপতন কোণ ক্রান্তি কোণ ছাড়িয়ে যায় আর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটে — রশ্মি উপরে ফিরতে শুরু করে।
চোখ ধরে নেয় আলো সোজা পথে এসেছে, তাই মনে হয় সামনের রাস্তায় আকাশের প্রতিবিম্ব পড়েছে — অর্থাৎ পানি।
উল্টো ঘটনাও আছে: মেরু অঞ্চলে নিচের বাতাস ঠান্ডা হলে দিগন্তের নিচের জাহাজ আকাশে ভাসতে দেখা যায়। একে বলে উচ্চতর মরীচিকা।
মরুভূমিতে হারানো পথিকের "মরূদ্যান" দেখার গল্প বেশিরভাগই এই একই ব্যাপার — চোখের ভুল নয়, আলোর সত্যিকারের বাঁকা পথ।
পরীক্ষা ও প্র্যাকটিস
লিখিত ও সমাধান
শেখা ও রেফারেন্স
প্রিমিয়াম