বুদবুদের পর্দা মাত্র কয়েকশ ন্যানোমিটার পুরু। উপরের আর নিচের তল থেকে প্রতিফলিত দুই রশ্মি মিলে ব্যতিচার ঘটায় — কোন রঙ টিকবে তা নির্ভর করে পুরুত্বের উপর।
আলোর একটা অংশ বুদবুদের বাইরের তল থেকে প্রতিফলিত হয়, বাকিটা ভেতরে ঢুকে ভেতরের তল থেকে প্রতিফলিত হয়ে বেরোয়। দুটো রশ্মির পথের পার্থক্য হয় প্রায় ২μt (t = পুরুত্ব, μ = প্রতিসরাঙ্ক)।
এই পার্থক্য যদি কোনো রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পূর্ণ গুণিতক হয়, সেই রঙ গঠনমূলক ব্যতিচারে জোরালো হয়। অর্ধ-গুণিতক হলে ধ্বংসাত্মক ব্যতিচারে মুছে যায়। যে রঙ টিকল, সেটাই চোখে পড়ে।
বুদবুদের গায়ে মাধ্যাকর্ষণে সাবান-পানি নিচে নামতে থাকে, তাই উপরটা পাতলা আর নিচটা মোটা — একেক জায়গায় একেক রঙ, আর সেই নকশা ক্রমাগত বদলায়।
ফাটার ঠিক আগে উপরের অংশ এত পাতলা হয় যে পথ-পার্থক্য প্রায় শূন্য; তখন প্রতিফলনের সময় হওয়া π দশা-পরিবর্তনের কারণে সব রঙ মুছে যায় — জায়গাটা কালো দেখায়।
ক্যামেরার লেন্সে যে নীলচে-বেগুনি আভা দেখো, সেটাও একই নীতি — খুব হিসাব করে বসানো পাতলা প্রলেপ প্রতিফলন কমিয়ে দেয়, একে বলে অ্যান্টি-রিফ্লেক্টিভ কোটিং।
পরীক্ষা ও প্র্যাকটিস
লিখিত ও সমাধান
শেখা ও রেফারেন্স
প্রিমিয়াম