বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হতে ভোল্টেজ লাগে না, লাগে বিভব পার্থক্য। পাখির দুই পায়ের মাঝে বিভব পার্থক্য প্রায় শূন্য, তাই প্রবাহ শরীর দিয়ে যায় না।
প্রবাহ চলতে হলে দুই বিন্দুর মধ্যে বিভব পার্থক্য লাগে। পাখির দুই পা একই তারে, মাত্র কয়েক সেন্টিমিটার দূরে। ওই টুকরো তারের রোধ প্রায় শূন্য (তামা, মোটা), তাই V = IR অনুসারে দুই পায়ের মাঝে বিভব পার্থক্যও প্রায় শূন্য।
তাছাড়া পাখির শরীরের রোধ তারের চেয়ে কোটি গুণ বেশি। সমান্তরাল দুই পথে প্রবাহ ভাগ হয় রোধের ব্যস্তানুপাতে — তাই প্রায় পুরো প্রবাহটাই তার দিয়ে যায়, পাখির শরীরে আসে নগণ্য পরিমাণ।
বিপদ হয় তখনই, যখন পাখি একই সাথে দুটো আলাদা তার ছোঁয় বা তার আর খুঁটি একসাথে ছোঁয়। বড় পাখা মেলা পাখি (যেমন ঈগল) এভাবেই প্রায়ই মারা যায় — এজন্য অনেক দেশে তারের ব্যবধান বাড়ানো হয়।
একই কারণে লাইনম্যানরা হেলিকপ্টার থেকে নেমে জীবন্ত হাই-ভোল্টেজ তারে কাজ করতে পারেন — আগে বিশেষ পরিবাহী পোশাক দিয়ে নিজেকে তারের সমান বিভবে এনে নেন।
পরীক্ষা ও প্র্যাকটিস
লিখিত ও সমাধান
শেখা ও রেফারেন্স
প্রিমিয়াম