এক্স-রের তরঙ্গদৈর্ঘ্য অতি ছোট, তাই নরম টিস্যু ভেদ করে যায়। কিন্তু হাড়ে ক্যালসিয়ামের মতো ভারী পরমাণু থাকায় সেখানে অনেকটা শোষিত হয়।
এক্স-রে দৃশ্যমান আলোরই মতো তড়িৎচুম্বক তরঙ্গ, শুধু তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রায় দশ হাজার গুণ ছোট আর ফোটনের শক্তি অনেক বেশি (E = hc/λ)।
এত শক্তিশালী ফোটন পরমাণুর ইলেকট্রন মেঘ ভেদ করে বেরিয়ে যেতে পারে। কতটা শোষিত হবে তা নির্ভর করে পরমাণুর ক্রমাঙ্কের উপর — মোটামুটি Z³ অনুপাতে। মাংস-চর্বিতে মূলত হাইড্রোজেন, কার্বন, অক্সিজেন (Z = ১, ৬, ৮), কিন্তু হাড়ে ক্যালসিয়াম (Z = ২০)।
তাই হাড়ে অনেক বেশি এক্স-রে আটকে যায়, ফিল্মে ওখানে কম আলো পৌঁছায় আর সাদা দেখায়। নরম অংশ ভেদ করে বেশি রশ্মি যায়, তাই কালো। ছবিটা আসলে ছায়ার ছবি — প্রতিফলন নয়।
পেট বা অন্ত্র দেখতে বেরিয়াম খাওয়ানো হয় ঠিক একই কারণে — বেরিয়ামের Z = ৫৬, তাই এক্স-রে আটকে অঙ্গটা স্পষ্ট দেখায়।
পরীক্ষা ও প্র্যাকটিস
লিখিত ও সমাধান
শেখা ও রেফারেন্স
প্রিমিয়াম