এসি ঠান্ডা বানায় না, তাপ সরায়। ঘরের ভেতরের তাপ শুষে নিয়ে বাইরের ইউনিট দিয়ে বাইরে ফেলে দেয়।
মূল কৌশল বাষ্পীভবন ও ঘনীভবন। রেফ্রিজারেন্ট নামের তরল ঘরের ভেতরের কয়েলে কম চাপে বাষ্প হয়ে যায়। বাষ্প হতে হলে সুপ্ত তাপ লাগে, আর সেই তাপ সে নেয় ঘরের বাতাস থেকে — বাতাস ঠান্ডা হয়।
এরপর কম্প্রেসর ওই বাষ্পকে চেপে উচ্চ চাপে নিয়ে যায়, ফলে তাপমাত্রা বেড়ে বাইরের বাতাসের চেয়েও বেশি হয়। বাইরের কয়েলে সে ঘনীভূত হয়ে তরল হয় আর জমা তাপটুকু বাইরের বাতাসে ছেড়ে দেয়।
তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র বলে তাপ নিজে থেকে ঠান্ডা থেকে গরমে যেতে পারে না। এসি সেটাই করছে, তাই বাইরের কাজ লাগে — সেটাই কম্প্রেসরের বিদ্যুৎ। ঘরের তাপ + কম্প্রেসরের কাজ, দুটোই শেষমেশ বাইরে যায়।
এসির কর্মদক্ষতা গুণাঙ্ক (COP) সাধারণত ৩-৪ — অর্থাৎ ১ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ করে ৩-৪ ইউনিট তাপ সরাতে পারে। এজন্যই এসি হিটারের চেয়ে বেশি "দক্ষ" মনে হয়।
পরীক্ষা ও প্র্যাকটিস
লিখিত ও সমাধান
শেখা ও রেফারেন্স
প্রিমিয়াম