যায় না। প্রাচীরটা লম্বা হলেও প্রস্থে মাত্র ৫-৭ মিটার, আর রঙে আশপাশের মাটির সাথে মিশে যায়। কৌণিক আকারের হিসাবেই এটা খালি চোখের সীমার নিচে।
খালি চোখের বিভেদন ক্ষমতা প্রায় ১ আর্ক-মিনিট, অর্থাৎ প্রায় ০.০০০৩ রেডিয়ান। ৪০০ কিমি উচ্চতা থেকে এই কোণ যে দৈর্ঘ্য ঢাকে তা হলো ৪০০০০০ × ০.০০০৩ ≈ ১২০ মিটার।
প্রাচীরের প্রস্থ ৫-৭ মিটার — প্রয়োজনীয় মাপের বিশ ভাগের এক ভাগেরও কম। লম্বা হওয়ায় লাভ নেই; সরু জিনিস দেখতে হলে প্রস্থ লাগে। ৪০০ কিমি থেকে চুলের মতো সরু ৩ হাজার কিমি লম্বা সুতোও অদৃশ্য।
তার উপর প্রাচীর বানানো হয়েছে আশপাশের পাথর-মাটি দিয়েই, তাই বৈসাদৃশ্যও নেই। মহাকাশচারীরা বারবার বলেছেন তাঁরা খালি চোখে এটা দেখতে পাননি। চীনা নভোচারী ইয়াং লিওয়েই ২০০৩ সালে স্পষ্ট করেই বলেছিলেন — দেখা যায়নি।
যা দেখা যায় তা হলো চওড়া জিনিস: বড় শহর (বিশেষত রাতে), বিমানবন্দর, বড় নদী, সেচের জমির নকশা।
হিসাবটা নিজে করে দেখো — এটা ভালো একটা কৌণিক বিভেদনের অঙ্ক। একই হিসাবে বোঝা যায় কেন ২ মিটার দূর থেকে ০.৬ মিমি-র চেয়ে ছোট লেখা পড়া যায় না।
পরীক্ষা ও প্র্যাকটিস
লিখিত ও সমাধান
শেখা ও রেফারেন্স
প্রিমিয়াম