দুই ধরনের চেষ্টা হয়েছে, আর দুটোই তাপগতিবিদ্যার দুটো সূত্রে আটকে যায়: শক্তি শূন্য থেকে আসে না, আর তাপ পুরোটা কাজে বদলানো যায় না।
প্রথম শ্রেণির মেশিন চায় জ্বালানি ছাড়াই কাজ করতে — অর্থাৎ শক্তি সৃষ্টি করতে। এটা সরাসরি তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্র (শক্তির সংরক্ষণ) লঙ্ঘন করে। শক্তি এক রূপ থেকে আরেক রূপে যেতে পারে, শূন্য থেকে আসতে পারে না।
দ্বিতীয় শ্রেণির মেশিন আরও চতুর — সে শক্তি সৃষ্টি করে না, বরং পরিবেশ থেকে তাপ নিয়ে তার পুরোটা কাজে বদলাতে চায়। এটা আটকায় দ্বিতীয় সূত্রে: একটামাত্র তাপ উৎস থেকে ক্রমাগত কাজ পাওয়া অসম্ভব, ঠান্ডা একটা সিঙ্কে কিছু তাপ ফেলতেই হবে। কার্নোর সর্বোচ্চ দক্ষতা η = ১ − Tঠান্ডা/Tগরম, আর সেটা কখনো ১ হয় না।
এত চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর ১৭৭৫ সালে ফরাসি বিজ্ঞান আকাদেমি ঘোষণা করে দেয় — তারা আর কোনো পারপেচুয়াল মোশনের নকশা দেখবে না।
মার্কিন পেটেন্ট অফিসে এখনো নিয়ম আছে: পারপেচুয়াল মোশন মেশিনের আবেদন করলে কাজ করা মডেল জমা দিতে হবে। আজ পর্যন্ত কেউ পারেনি।
পরীক্ষা ও প্র্যাকটিস
লিখিত ও সমাধান
শেখা ও রেফারেন্স
প্রিমিয়াম