বাতাসের বাধার কারণে ফোঁটা একটা সর্বোচ্চ বেগে (প্রান্তিক বেগ) পৌঁছেই আর ত্বরান্বিত হয় না। বড় ফোঁটার জন্য সেটা মোটে ৯ মি/সে-র মতো।
শূন্যস্থানে ২ কিমি উঁচু থেকে পড়লে বেগ হতো v = √(2gh) ≈ ২০০ মি/সে — গুলির মতো। কিন্তু বাতাস আছে।
পড়তে থাকা ফোঁটার উপর দুটো বল: নিচে অভিকর্ষ (mg) আর উপরে বাতাসের বাধা, যা বেগের সাথে বাড়ে। এক পর্যায়ে দুটো সমান হয়ে যায়, লব্ধি বল শূন্য, ত্বরণও শূন্য — তখন ফোঁটা সমবেগে নামে। এটাই প্রান্তিক বেগ।
ফোঁটার ভর বাড়ে ব্যাসার্ধের ঘনফলের সাথে (r³), কিন্তু বাধা বাড়ে ক্ষেত্রফলের সাথে (r²)। তাই ছোট ফোঁটা আরও ধীরে নামে — গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির ফোঁটা মাত্র ২ মি/সে-তে নামে, কুয়াশার কণা তো প্রায় ভেসেই থাকে।
স্কাইডাইভার ছড়ানো অবস্থায় প্রায় ৫৫ মি/সে-তে নামে; শরীর সোজা করে নিলে বাধা কমে বেগ ৯০ মি/সে ছাড়িয়ে যায়।
পরীক্ষা ও প্র্যাকটিস
লিখিত ও সমাধান
শেখা ও রেফারেন্স
প্রিমিয়াম