সিডির পিঠে সূক্ষ্ম খাঁজের সারি আছে, যা অপবর্তন গ্রেটিং হিসেবে কাজ করে। ভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্য ভিন্ন কোণে বেরিয়ে আসে।
সিডির তথ্য লেখা থাকে অতি সূক্ষ্ম গর্তের সর্পিল সারিতে। পাশাপাশি দুই সারির দূরত্ব প্রায় ১.৬ মাইক্রোমিটার — দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের (০.৪-০.৭ মাইক্রোমিটার) খুব কাছাকাছি।
এমন নিয়মিত সারিতে আলো পড়লে প্রতিটা সারি থেকে প্রতিফলিত তরঙ্গ একে অন্যের সাথে ব্যতিচার করে। যে কোণে পথ পার্থক্য তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পূর্ণ গুণিতক হয়, সেখানেই উজ্জ্বলতা — শর্তটা (a + b) sin θ = nλ।
λ যেহেতু প্রতিটা রঙের জন্য আলাদা, θ-ও আলাদা হয়। তাই সাদা আলো ভেঙে গিয়ে বিভিন্ন কোণে বিভিন্ন রঙ দেখা যায়। এটা প্রিজমের বিচ্ছুরণ নয়, অপবর্তন — কারণ এখানে প্রতিসরাঙ্কের ভূমিকা নেই, আছে জ্যামিতি।
ডিভিডিতে সারিগুলো আরও ঘন (০.৭৪ মাইক্রোমিটার), তাই রঙ আরও বেশি ছড়ায় — সিডির চেয়ে ডিভিডিতে রামধনু বেশি স্পষ্ট।
পরীক্ষা ও প্র্যাকটিস
লিখিত ও সমাধান
শেখা ও রেফারেন্স
প্রিমিয়াম