দুটি উৎস হতে নিঃসৃত আলোক তরঙ্গের কম্পাঙ্ক সমান এবং এদের মধ্যবর্তী দশা পার্থক্য সময়ের সাথে ধ্রুব থাকলে উৎস দুটিকে সুসংগত উৎস বলে।
আলোর ব্যতিচারে স্থায়ী উজ্জ্বল ও অন্ধকার ডোরা পেতে হলে পর্দার প্রতিটি বিন্দুতে উপরিপাতিত তরঙ্গদ্বয়ের দশা পার্থক্য সময়ের সাথে অপরিবর্তিত থাকতে হবে।
উৎস দুটি সুসংগত না হলে দশা পার্থক্য ক্ষণে ক্ষণে পরিবর্তিত হয়। ফলে কোনো বিন্দুতে কখনও গঠনমূলক আবার কখনও ধ্বংসাত্মক ব্যতিচার ঘটে এবং ডোরাগুলো এত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে যে চোখে কোনো স্থায়ী ব্যতিচার নকশা ধরা পড়ে না; সমগ্র পর্দা সুষমভাবে আলোকিত দেখায়।
এ কারণেই স্থায়ী ও পর্যবেক্ষণযোগ্য ব্যতিচার সৃষ্টির জন্য সুসংগত উৎসের প্রয়োজন হয়। বাস্তবে একটি উৎস হতে প্রাপ্ত আলোকে দুই ভাগে বিভক্ত করে সুসংগত উৎস তৈরি করা হয়।
পরীক্ষা ও প্র্যাকটিস
লিখিত ও সমাধান
শেখা ও রেফারেন্স
প্রিমিয়াম
এরপর কী করবে?
পরের প্রশ্নপড়ো১০টা MCQ দিয়ে নিজেকে যাচাই করোভৌত আলোকবিজ্ঞান · মোট ৩৯৬টি MCQ · ফ্রি অ্যাকাউন্টেMCQ দাওএই অধ্যায়ে আরও আছে
ভৌত আলোকবিজ্ঞান · ২য় পত্র