পরমাণুর মডেল ও নিউক্লিয়ার পদার্থবিজ্ঞান — বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও সমাধান

HSC পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্রের ৯ম অধ্যায়। এখানে ৬৬৬টি প্রশ্ন আছে — বোর্ড, ঢাবি, বুয়েট আর মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা থেকে বাছাই করা, প্রতিটার নিচে পূর্ণ ব্যাখ্যা দেওয়া। উত্তর দেখার আগে নিজে একবার চেষ্টা করে নিও।

৬৬৬ প্রশ্ন ২য় পত্র অধ্যায় ৯ পাতা ১২/৩৪
  1. আইসোটোপ, আইসোবার ও আইসোটোন — কোন সংজ্ঞাটি সঠিক?

    • ক আইসোটোপে Z সমান, আইসোবারে A সমান, আইসোটোনে নিউট্রন সংখ্যা সমান
    • খ আইসোটোপে A সমান, আইসোবারে Z সমান
    • গ তিনটিতেই Z সমান
    • ঘ আইসোটোনে Z সমান
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: ক) আইসোটোপে Z সমান, আইসোবারে A সমান, আইসোটোনে নিউট্রন সংখ্যা সমান

    আইসোটোপ — একই মৌল, ভিন্ন নিউট্রন: 1H, 2H, 3H (Z = 1)
    আইসোবার — একই A, ভিন্ন মৌল: 40Ar ও 40Ca
    আইসোটোন — একই N: 13C ও 14N (দুটোতেই N = 7)

    আইসোটোপের রাসায়নিক ধর্ম একই (কারণ ইলেকট্রন সংখ্যা একই), কিন্তু নিউক্লিয়ার ধর্ম সম্পূর্ণ ভিন্ন।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  2. একটি নিউক্লিয়াসে 92টি প্রোটন ও 146টি নিউট্রন আছে। এর ভরসংখ্যা ও পারমাণবিক সংখ্যা কত?

    • ক A = 146, Z = 92
    • খ A = 238, Z = 146
    • গ A = 92, Z = 238
    • ঘ A = 238, Z = 92
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: ঘ) A = 238, Z = 92

    Z = প্রোটন সংখ্যা = 92
    A = প্রোটন + নিউট্রন = 92 + 146 = 238

    এটি 238U — প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামের প্রধান আইসোটোপ (99.3 %)।

    তার আইসোটোপ 235U-তে নিউট্রন 143টি; কেবল সেটিই সহজে বিভাজিত হয়, তাই জ্বালানি হিসেবে সেটিকেই সমৃদ্ধ করতে হয়।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  3. একটি নিউক্লিয়াসের ব্যাসার্ধ অন্যটির দ্বিগুণ। তাদের ভরসংখ্যার অনুপাত কত?

    • ক 2 : 1
    • খ 8 : 1
    • গ 4 : 1
    • ঘ 6 : 1
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: খ) 8 : 1

    R ∝ A1/3 ⟹ A ∝ R3

    A1A2 = (2)3 = 8 : 1

    ব্যাসার্ধ দ্বিগুণ মানে আয়তন আটগুণ, আর ঘনত্ব স্থির বলে ভরও আটগুণ ✓

    যেমন A = 27-এর ব্যাসার্ধ A = 216-এর ঠিক অর্ধেক, কারণ 21627 = 8।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  4. নিউক্লিয়ার বলের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে কোনটি সঠিক?

    • ক দীর্ঘ-পাল্লার এবং কুলম্ব বলের চেয়ে দুর্বল
    • খ কেবল প্রোটনের মধ্যেই কাজ করে
    • গ অতি স্বল্প-পাল্লার, আধান-নিরপেক্ষ এবং কুলম্ব বলের চেয়ে অনেক শক্তিশালী
    • ঘ অভিকর্ষ বলের সমান শক্তিশালী
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: গ) অতি স্বল্প-পাল্লার, আধান-নিরপেক্ষ এবং কুলম্ব বলের চেয়ে অনেক শক্তিশালী

    তিনটি মূল বৈশিষ্ট্য:
    ① স্বল্প-পাল্লা — প্রায় 2–3 fm পর্যন্ত; এর বাইরে কার্যত শূন্য
    ② আধান-নিরপেক্ষ — p-p, n-n, p-n তিন ক্ষেত্রেই একই
    ③ অত্যন্ত শক্তিশালী — কুলম্ব বিকর্ষণের প্রায় 100 গুণ

    এ কারণেই ছোট নিউক্লিয়াস স্থিতিশীল, কিন্তু বড় নিউক্লিয়াসে দূরের প্রোটনরা নিউক্লিয়ার বল পায় না অথচ কুলম্ব বিকর্ষণ পায় ⟹ ভারী মৌল তেজস্ক্রিয় হয়ে পড়ে।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  5. নিউক্লিয়ার ঘনত্ব কীসের ওপর নির্ভর করে?

    • ক ভরসংখ্যার ওপর
    • খ কোনো কিছুর ওপরই নয় — সব নিউক্লিয়াসেই প্রায় সমান
    • গ পারমাণবিক সংখ্যার ওপর
    • ঘ নিউট্রন সংখ্যার ওপর
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: খ) কোনো কিছুর ওপরই নয় — সব নিউক্লিয়াসেই প্রায় সমান

    ρ = Amn43πR03A = mn43πR03

    A উপরে-নিচে কেটে যায় ⟹ ঘনত্ব ধ্রুবক ≈ 2.3 × 1017 kg m−3

    হাইড্রোজেন হোক বা ইউরেনিয়াম — নিউক্লিয়ার ঘনত্ব একই।

    নিউট্রন তারা কার্যত একটি বিশাল নিউক্লিয়াস, তাই তার ঘনত্বও প্রায় এই মানেরই।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  6. 1H, 2H ও 3H — এদের রাসায়নিক ধর্ম প্রায় একই কেন?

    • ক তিনটির নিউট্রন সংখ্যা এক
    • খ তিনটির ভর এক
    • গ তিনটিতেই প্রোটন ও ইলেকট্রন সংখ্যা এক, রাসায়নিক ধর্ম ইলেকট্রন বিন্যাস দিয়েই নির্ধারিত হয়
    • ঘ তিনটির নিউক্লিয়ার বল এক
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: গ) তিনটিতেই প্রোটন ও ইলেকট্রন সংখ্যা এক, রাসায়নিক ধর্ম ইলেকট্রন বিন্যাস দিয়েই নির্ধারিত হয়

    রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে যোজন ইলেকট্রন দিয়ে; নিউক্লিয়াসের ভেতরে কী আছে তা প্রায় অপ্রাসঙ্গিক।

    তিনটিতেই Z = 1 ⟹ একটি ইলেকট্রন ⟹ একই রাসায়নিক ধর্ম

    তবে নিউক্লিয়ার ধর্ম সম্পূর্ণ আলাদা: 1H ও 2H স্থিতিশীল, কিন্তু 3H (ট্রিটিয়াম) তেজস্ক্রিয় (অর্ধায়ু ≈12 বছর)।

    ভরের পার্থক্যে বিক্রিয়ার হার কিছুটা বদলায় (ভারী পানি) — কিন্তু ধরনটি নয়।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  7. একটি নিউক্লিয়াসের ব্যাসার্ধ 3.6 fm এবং R0 = 1.2 fm। এর ভরসংখ্যা কত?

    • ক 3
    • খ 27
    • গ 9
    • ঘ 81
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: খ) 27

    R = R0A1/3

    A1/3 = 3.61.2 = 3

    A = 33 = 27

    এটি 27Al।

    ঘন করতে ভুলে গিয়ে 3 লিখলেই ফাঁদে পড়া — সূত্রে ঘনমূল আছে, তাই উল্টো দিকে ঘাত।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  8. নিউক্লিয়াসে প্রোটনগুলো পরস্পরকে বিকর্ষণ করা সত্ত্বেও নিউক্লিয়াস ভেঙে পড়ে না কেন?

    • ক স্বল্প-পাল্লার প্রবল নিউক্লিয়ার বল কুলম্ব বিকর্ষণকে ছাপিয়ে যায়
    • খ নিউক্লিয়াসে প্রোটনগুলো স্থির থাকে
    • গ নিউট্রনগুলো ঋণাত্মক আধান বহন করে
    • ঘ নিউক্লিয়াসে অভিকর্ষ বল প্রবল
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: ক) স্বল্প-পাল্লার প্রবল নিউক্লিয়ার বল কুলম্ব বিকর্ষণকে ছাপিয়ে যায়

    দুই প্রোটনের মধ্যে 2 fm দূরত্বে:
    • কুলম্ব বিকর্ষণ ≈ 58 N
    • নিউক্লিয়ার আকর্ষণ ≈ কয়েক হাজার N

    ⟹ নিউক্লিয়ার বলই জেতে ⟹ নিউক্লিয়াস স্থিতিশীল

    নিউট্রন আধানহীন, তাই সে কুলম্ব বিকর্ষণ যোগ না করেই বাড়তি নিউক্লিয়ার আকর্ষণ জোগায় — এ কারণেই ভারী নিউক্লিয়াসে নিউট্রন প্রোটনের চেয়ে বেশি থাকে।

    অভিকর্ষ বল এই মাপে সম্পূর্ণ নগণ্য (10−36 গুণ দুর্বল)।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  9. ভরত্রুটি বলতে কী বোঝায়?

    • ক নিউক্লিয়াসের ভর ও পরমাণুর ভরের পার্থক্য
    • খ নিউক্লিয়নগুলোর মোট ভর ও নিউক্লিয়াসের প্রকৃত ভরের পার্থক্য
    • গ প্রোটন ও নিউট্রনের ভরের পার্থক্য
    • ঘ পরিমাপে যন্ত্রের ত্রুটি
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: খ) নিউক্লিয়নগুলোর মোট ভর ও নিউক্লিয়াসের প্রকৃত ভরের পার্থক্য

    Δm = [Zmp + (A − Z)mn] − Mনিউক্লিয়াস

    নিউক্লিয়াসের ভর তার উপাদানগুলোর যোগফলের চেয়ে সবসময় কম — এই ঘাটতিই বন্ধন শক্তি হয়ে বেরিয়ে গেছে।

    EB = Δm × 931.5 MeV/u

    নিউক্লিয়ন জোড়া লাগাতে গেলে এই শক্তি বেরোয়; আবার ভাঙতে গেলে ঠিক এই শক্তিই দিতে হয়। এটি পরিমাপের ত্রুটি নয়, বাস্তব ভৌত ঘটনা।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  10. একটি নিউক্লিয়াসের ভরত্রুটি 0.5 u। এর বন্ধন শক্তি কত?

    • ক 931.5 MeV
    • খ 465.75 MeV
    • গ 46.5 MeV
    • ঘ 4.65 MeV
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: খ) 465.75 MeV

    EB = 0.5 × 931.5 = 465.75 MeV

    1 u ভর = 931.5 MeV শক্তি — এই রূপান্তর ধ্রুবকটিই নিউক্লিয়ার হিসাবের ভিত্তি।

    প্রতি নিউক্লিয়নে বন্ধন শক্তি জানতে হলে A দিয়ে ভাগ করতে হবে; যেমন A = 56 হলে 465.7556 ≈ 8.3 MeV — লোহার কাছাকাছি মান।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  11. প্রতি নিউক্লিয়নে বন্ধন শক্তির লেখচিত্রে শীর্ষবিন্দু কোন মৌলের কাছে?

    • ক লোহা (A ≈ 56)
    • খ হাইড্রোজেন (A = 1)
    • গ ইউরেনিয়াম (A = 238)
    • ঘ হিলিয়াম (A = 4)
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: ক) লোহা (A ≈ 56)

    লেখচিত্রটি A ≈ 56-এ সর্বোচ্চ (≈8.8 MeV/নিউক্লিয়ন) হয়ে দুই পাশে নামে।

    ⟹ লোহা সবচেয়ে স্থিতিশীল নিউক্লিয়াস

    এ কারণেই:
    • হালকা মৌল সংযোজিত হয়ে শক্তি দেয় (সূর্য)
    • ভারী মৌল বিভাজিত হয়ে শক্তি দেয় (চুল্লি)
    • দুই পথই লোহার দিকেই এগোয়

    তাই নক্ষত্রের ভেতরে লোহা তৈরি হওয়ার পর আর সংযোজনে শক্তি মেলে না — নক্ষত্রের মৃত্যু ঘনিয়ে আসে।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  12. 4He নিউক্লিয়াসের বন্ধন শক্তি 28.3 MeV। প্রতি নিউক্লিয়নে বন্ধন শক্তি কত?

    • ক 28.3 MeV
    • খ 7.07 MeV
    • গ 14.15 MeV
    • ঘ 113.2 MeV
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: খ) 7.07 MeV

    EBA = 28.34 = 7.07 MeV

    হিলিয়াম-4 (আলফা কণা) অস্বাভাবিক স্থিতিশীল — তার প্রতিবেশীদের চেয়ে অনেক বেশি বাঁধা।

    এ কারণেই ভারী নিউক্লিয়াস ক্ষয়ের সময় প্রোটন বা নিউট্রন আলাদা না ছেড়ে গোটা আলফা কণা ছাড়ে — সেটিই শক্তির দিক থেকে সবচেয়ে লাভজনক।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  13. প্রতি নিউক্লিয়নে বন্ধন শক্তি বেশি হলে নিউক্লিয়াস সম্পর্কে কী বোঝায়?

    • ক নিউক্লিয়াসটি বেশি তেজস্ক্রিয়
    • খ নিউক্লিয়াসটির ভর বেশি
    • গ নিউক্লিয়াসটি বেশি স্থিতিশীল
    • ঘ নিউক্লিয়াসটির আকার বড়
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: গ) নিউক্লিয়াসটি বেশি স্থিতিশীল

    প্রতি নিউক্লিয়নে বন্ধন শক্তি মানে — একটি নিউক্লিয়নকে টেনে বের করতে গড়ে কত শক্তি লাগবে।

    বেশি মানে বেশি শক্তভাবে বাঁধা ⟹ বেশি স্থিতিশীল

    মোট বন্ধন শক্তি দিয়ে তুলনা করা যায় না — ইউরেনিয়ামের মোট বন্ধন শক্তি (1800 MeV) লোহার (492 MeV) চেয়ে অনেক বেশি, অথচ ইউরেনিয়াম কম স্থিতিশীল।

    তুলনা করতে হলে সবসময় প্রতি নিউক্লিয়নে দেখতে হবে।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  14. একটি বিক্রিয়ায় বিক্রিয়কের মোট ভর 236.05 u এবং উৎপাদের 235.85 u। মুক্ত শক্তি কত?

    • ক 93.15 MeV
    • খ 18.63 MeV
    • গ 931.5 MeV
    • ঘ 186.3 MeV
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: ঘ) 186.3 MeV

    Δm = 236.05 − 235.85 = 0.2 u

    Q = 0.2 × 931.5 = 186.3 MeV

    ভর কমেছে ⟹ শক্তি মুক্ত হয়েছে ⟹ Q ধনাত্মক ⟹ বিক্রিয়াটি স্বতঃস্ফূর্ত।

    ইউরেনিয়ামের বিভাজনে ঠিক এমনই প্রায় 200 MeV শক্তি বেরোয় — একটিমাত্র নিউক্লিয়াস থেকে!

    তুলনায় রাসায়নিক বিক্রিয়ায় প্রতি অণুতে মেলে মাত্র কয়েক eV।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  15. 7Li নিউক্লিয়াসের ভর 7.016 u, প্রোটনের ভর 1.0073 u ও নিউট্রনের ভর 1.0087 u। প্রতি নিউক্লিয়নে বন্ধন শক্তি প্রায় কত?

    • ক 5.6 MeV
    • খ 39.2 MeV
    • গ 7.9 MeV
    • ঘ 2.8 MeV
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: ক) 5.6 MeV

    7Li-তে Z = 3, N = 4

    উপাদানের মোট ভর = 3 × 1.0073 + 4 × 1.0087 = 3.0219 + 4.0348 = 7.0567 u

    Δm = 7.0567 − 7.016 = 0.0407 u

    EB = 0.0407 × 931.5 ≈ 37.9 MeV

    EBA = 37.97 ≈ 5.4–5.6 MeV

    লোহার 8.8 MeV-এর চেয়ে কম ⟹ লিথিয়াম তুলনামূলক কম স্থিতিশীল, তাই সংযোজনে অংশ নিতে পারে।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  16. মোট বন্ধন শক্তি ও প্রতি নিউক্লিয়নে বন্ধন শক্তির মধ্যে কোনটি স্থিতিশীলতার সঠিক পরিমাপ?

    • ক মোট বন্ধন শক্তি
    • খ দুটিই সমানভাবে
    • গ কোনোটিই নয়
    • ঘ প্রতি নিউক্লিয়নে বন্ধন শক্তি
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: ঘ) প্রতি নিউক্লিয়নে বন্ধন শক্তি

    মোট বন্ধন শক্তি A-এর সাথে প্রায় সরলভাবেই বাড়ে ⟹ ভারী নিউক্লিয়াসের মোট বন্ধন শক্তি সবসময়ই বেশি।

    কিন্তু প্রতি নিউক্লিয়নে দেখলে ছবিটা পাল্টে যায়:
    • 56Fe — 8.8 MeV/নিউক্লিয়ন (সর্বোচ্চ)
    • 238U — 7.6 MeV/নিউক্লিয়ন

    তাই ইউরেনিয়াম ভেঙে লোহার দিকে গেলে শক্তি বেরোয় — এটিই বিভাজনের ভিত্তি।

    স্থিতিশীলতার তুলনা সবসময় প্রতি নিউক্লিয়নেই করতে হয়।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  17. হালকা নিউক্লিয়াসের সংযোজনে শক্তি বেরোয় কেন?

    • ক উৎপাদের ভর বিক্রিয়কের চেয়ে বেশি হয়
    • খ সংযোজনে নিউক্লিয়ন সংখ্যা বেড়ে যায়
    • গ সংযোজনে কুলম্ব বল বেড়ে যায়
    • ঘ উৎপাদ নিউক্লিয়াসে প্রতি নিউক্লিয়নে বন্ধন শক্তি বেশি হয়
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: ঘ) উৎপাদ নিউক্লিয়াসে প্রতি নিউক্লিয়নে বন্ধন শক্তি বেশি হয়

    লেখচিত্রের বাঁ দিকে (হালকা মৌল) প্রতি নিউক্লিয়নে বন্ধন শক্তি কম; সংযোজিত হয়ে শীর্ষের দিকে গেলে তা বাড়ে।

    বেশি বাঁধা মানে কম ভর ⟹ ভরত্রুটি ⟹ শক্তি মুক্ত

    যেমন 4টি প্রোটন → 4He: প্রতি নিউক্লিয়নে 0 → 7.07 MeV ⟹ প্রায় 26 MeV মুক্ত।

    নিউক্লিয়ন সংখ্যা সংরক্ষিত থাকে, বাড়ে না — কেবল বিন্যাস বদলায়।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  18. একটি নিউক্লিয়াসের মোট বন্ধন শক্তি 492 MeV এবং ভরসংখ্যা 56। এটি 238U (7.6 MeV/নিউক্লিয়ন)-এর তুলনায় কেমন স্থিতিশীল?

    • ক বেশি স্থিতিশীল, কারণ প্রতি নিউক্লিয়নে 8.8 MeV
    • খ কম স্থিতিশীল, কারণ মোট বন্ধন শক্তি কম
    • গ সমান স্থিতিশীল
    • ঘ তুলনা করা সম্ভব নয়
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: ক) বেশি স্থিতিশীল, কারণ প্রতি নিউক্লিয়নে 8.8 MeV

    49256 = 8.8 MeV/নিউক্লিয়ন > 7.6 ⟹ বেশি স্থিতিশীল

    ইউরেনিয়ামের মোট বন্ধন শক্তি 238 × 7.6 ≈ 1810 MeV — অনেক বেশি, তবু কম স্থিতিশীল।

    এটিই লোহা, এবং এ কারণেই ইউরেনিয়াম ভেঙে লোহার দিকে যেতে চায়।

    মোট বন্ধন শক্তি দিয়ে তুলনা করাই এখানে সবচেয়ে বড় ফাঁদ।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  19. নিউক্লিয়াসের বন্ধন শক্তি কোথা থেকে আসে?

    • ক ইলেকট্রনের গতিশক্তি থেকে
    • খ নিউক্লিয়নগুলোর হারিয়ে যাওয়া ভর থেকে, E = Δmc2 অনুসারে
    • গ নিউক্লিয়াসের ঘূর্ণন থেকে
    • ঘ বাইরের তাপশক্তি থেকে
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: খ) নিউক্লিয়নগুলোর হারিয়ে যাওয়া ভর থেকে, E = Δmc2 অনুসারে

    আলাদা নিউক্লিয়ন জোড়া লেগে নিউক্লিয়াস হলে মোট ভর কমে যায়।

    সেই হারানো ভরই শক্তি হয়ে বেরিয়ে আসে: EB = Δmc2

    উল্টোভাবে, নিউক্লিয়াস ভাঙতে হলে ঠিক এই শক্তিই ভেতরে দিতে হবে।

    এটিই ভর-শক্তি সমতার সবচেয়ে সরাসরি প্রয়োগ — নিউক্লিয়ার শক্তির পুরো ধারণাটাই এর ওপর দাঁড়ানো।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  20. বন্ধন শক্তি ও প্রতি নিউক্লিয়নে বন্ধন শক্তির লেখচিত্রে খুব হালকা নিউক্লিয়াসে মান কম থাকে কেন?

    • ক পৃষ্ঠে থাকা নিউক্লিয়নের অনুপাত বেশি, তাই তারা কম প্রতিবেশী পায়
    • খ হালকা নিউক্লিয়াসে কুলম্ব বিকর্ষণ বেশি
    • গ হালকা নিউক্লিয়াসে নিউট্রন নেই
    • ঘ হালকা নিউক্লিয়াস সবসময় তেজস্ক্রিয়
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: ক) পৃষ্ঠে থাকা নিউক্লিয়নের অনুপাত বেশি, তাই তারা কম প্রতিবেশী পায়

    নিউক্লিয়ার বল স্বল্প-পাল্লার ⟹ প্রতিটি নিউক্লিয়ন কেবল নিকট প্রতিবেশীদের সাথেই বাঁধা।

    ছোট নিউক্লিয়াসে প্রায় সব নিউক্লিয়নই পৃষ্ঠে ⟹ কম প্রতিবেশী ⟹ কম বন্ধন শক্তি

    A বাড়লে ভেতরের নিউক্লিয়নের অনুপাত বাড়ে ⟹ প্রতি নিউক্লিয়নে বন্ধন শক্তি বাড়ে — যতক্ষণ না কুলম্ব বিকর্ষণ প্রাধান্য পায় (A > 56)।

    ভারী প্রান্তে কমে যাওয়ার কারণ কুলম্ব বিকর্ষণ, আর হালকা প্রান্তে কম থাকার কারণ পৃষ্ঠ-প্রভাব — দুটি ভিন্ন কারণ।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

পরমাণুর মডেল ও নিউক্লিয়ার পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে পরীক্ষা দাও

শুধু এই অধ্যায়ের প্রশ্ন দিয়ে একটা এক্সাম বানাও — সময় ধরে, নেগেটিভ মার্কিংসহ।

এক্সাম বানাও →

অন্যান্য অধ্যায়

১ভৌত জগৎ ও পরিমাপ৩৩৬টি২ভেক্টর৭০০টি৩গতিবিদ্যা৬৯৩টি৪নিউটনীয় বলবিদ্যা৮৭০টি৫কাজ, শক্তি ও ক্ষমতা৬৮২টি৬মহাকর্ষ ও অভিকর্ষ৬৮৪টি৭পদার্থের গাঠনিক ধর্ম৬৮৮টি৮পর্যাবৃত্ত গতি৫৮৬টি

সব অধ্যায় দেখো →

বেশিরভাগ ফিচার একদম ফ্রি · প্রিমিয়াম শুধু বাড়তি প্রস্তুতির জন্য হোমপেজে ফিরি