তীক্ষ্ণতা হচ্ছে সুশ্রাব্য শব্দের বৈশিষ্ট্য। শব্দের এই বৈশিষ্ট্য দ্বারা পাতলা সুর ও চড়া সুরের মধ্যে পার্থক্য করা যায়। উৎসের কম্পাঙ্কের ওপর শব্দের তীক্ষ্ণতা নির্ভর করে। কম্পাঙ্ক যত বাড়ে সুর তত চড়া হয় অর্থাৎ, সুরের তীক্ষ্ণতা বাড়ে। তাই বলে কম্পাঙ্ক ও তীক্ষ্ণতা এক জিনিস নয়। তীক্ষ্ণতা হচ্ছে কানের একটা বিশেষ অনুভূতি (শব্দ জোরালো নাকি হালকা তা বোঝার) কিন্তু উৎসের কম্পাঙ্ক হচ্ছে যান্ত্রিক আন্দোলনের হার।
পরীক্ষা ও প্র্যাকটিস
লিখিত ও সমাধান
শেখা ও রেফারেন্স
প্রিমিয়াম
এরপর কী করবে?
পরের প্রশ্নপড়ো১০টা MCQ দিয়ে নিজেকে যাচাই করোতরঙ্গ · মোট ২৪৬টি MCQ · ফ্রি অ্যাকাউন্টেMCQ দাওএই অধ্যায়ে আরও আছে
তরঙ্গ · ১ম পত্র