আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা — বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও সমাধান

HSC পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্রের ৮ম অধ্যায়। এখানে ৭৭৬টি প্রশ্ন আছে — বোর্ড, ঢাবি, বুয়েট আর মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা থেকে বাছাই করা, প্রতিটার নিচে পূর্ণ ব্যাখ্যা দেওয়া। উত্তর দেখার আগে নিজে একবার চেষ্টা করে নিও।

৭৭৬ প্রশ্ন ২য় পত্র অধ্যায় ৮ পাতা ২৪/৩৯
  1. ৪৬১
    আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ২০২২

    2 kg ভরের একটি বস্তুর গতিবেগ c3 হলে গতিশীল অবস্থায় বস্তুটির ভর___

    • ক 32 kg
    • খ 23 kg
    • গ 23 kg
    • ঘ 32 kg
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: ঘ) 32 kg

    এখানে, m0 = 2 kg, v = c3
    m = m01 − v2c2 = 21 − 19 = 289 = 2 × 322 = 32 kg ≈ 2.12 kg
    বেগ বাড়লে আপেক্ষিক ভর বাড়ে; v = c হলে m অসীম হয়।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  2. ৪৬২
    আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ২০২২

    আলোর গতিতে চলমান একটি বস্তু কণার ভর -

    • ক 0
    • খ 2m
    • গ m2
    • ঘ ∞
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: ঘ) ∞

    আপেক্ষিক তত্ত্বে চলমান বস্তুর ভর m = m01 − v2c2।
    v = c হলে 1 − v2c2 = 0, তাই m = ∞ — কোনো সসীম শক্তি দিয়ে ভরযুক্ত কণাকে আলোর বেগে তোলা যায় না।
    আলোর বেগে চলতে পারে কেবল স্থির ভরশূন্য কণা (ফোটন)।
    v বাড়লে ভর বাড়ে, দৈর্ঘ্য কমে (L = L01 − v2c2), সময় প্রসারিত হয় (t = t01 − v2c2)।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  3. ৪৬৩
    আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ২০২২

    ধরা যাক p এবং E একটি ফোটনের যথাক্রমে রৈখিক ভরবেগ এবং শক্তি নির্দেশ করে। যদি তরঙ্গদৈর্ঘ্য কমে যায়, তবে-

    • ক p এবং E উভয়টি বাড়ে
    • খ p কমে E বাড়ে
    • গ p বাড়ে E কমে
    • ঘ p এবং E উভয়টি কমে
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: ক) p এবং E উভয়টি বাড়ে

    ফোটনের শক্তি E = hf = hcλ এবং ভরবেগ p = hλ = Ec।
    তরঙ্গদৈর্ঘ্য λ কমলে E ও p দুটোই বাড়ে (উভয়ই λ-এর ব্যস্তানুপাতিক), অর্থাৎ কম্পাঙ্ক বাড়ে।
    ফোটনের স্থির ভর শূন্য, গতিশীল ভর m = Ec2 = hcλ; h = 6.63 × 10−34 Js।
    উদাহরণ: গামা রশ্মির λ সবচেয়ে কম, তাই ফোটনের শক্তি ও ভরবেগ সবচেয়ে বেশি।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  4. ৪৬৪
    আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ২০২২

    ফোটনের স্থির ভর কত?

    • ক 9.1×10−31 kg
    • খ 0
    • গ 1.6×10−27 kg
    • ঘ ∞
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: খ) 0

    ফোটন আলোর কোয়ান্টাম বা শক্তির প্যাকেট — এর স্থির ভর (rest mass) শূন্য, আধান শূন্য, স্পিন 1, শূন্যস্থানে সর্বদা c বেগে চলে।
    স্থির ভর শূন্য বলেই এটি c বেগে চলতে পারে; আপেক্ষিক ভর m = Ec2 = hfc2 = hcλ।
    শক্তি E = hf, ভরবেগ p = hλ = Ec; E2 = p2c2 + m02c4-এ m0 = 0 দিলে E = pc।
    9.1 × 10−31 kg ইলেকট্রনের ভর, 1.6 × 10−27 kg প্রোটনের ভরের কাছাকাছি (1.67 × 10−27 kg)।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  5. ৪৬৫
    আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা ইসহাক স্যার · তপন স্যার · মেডিকেল ভর্তি ২০২৩

    কোন মৌলিক বলের কারণে নিউট্রিনো ও বিটা কণা নির্গমন ঘটে ?

    • ক সবল নিউক্লীয় বল
    • খ মহাকর্ষ বল
    • গ দুর্বল নিউক্লীয় বল
    • ঘ তড়িৎ চুম্বকীয় বল
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: গ) দুর্বল নিউক্লীয় বল

    বিটা ক্ষয়ে নিউট্রন প্রোটনে রূপান্তরিত হয়ে বিটা কণা (ইলেকট্রন) ও অ্যান্টিনিউট্রিনো নির্গত করে: n → p + e- + ν̅। এ প্রক্রিয়া দুর্বল নিউক্লীয় বলের কারণে ঘটে।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  6. ৪৬৬
    আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা AFMC (আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল) ২০২২ · AFMC (আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল) ২০২৩

    X-ray এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কত?

    • ক 0.01-10 nm
    • খ 0.001-1 nm
    • গ 0.01-1 nm
    • ঘ 0.001-10 nm
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: ক) 0.01-10 nm

    X-ray এর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পাল্লা প্রায় 0.01 nm থেকে 10 nm (10−11 m থেকে 10−8 m)।
    এটি তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ, অতিবেগুনির চেয়ে ছোট এবং গামা রশ্মির চেয়ে বড় তরঙ্গদৈর্ঘ্য।
    উচ্চ বেগের ইলেকট্রন ধাতব টার্গেটে বাধা পেলে উৎপন্ন হয়; λmin = hceV, তাই ত্বরক বিভব বাড়লে সর্বনিম্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্য কমে।
    আধানহীন বলে তড়িৎ ও চৌম্বক ক্ষেত্রে বিচ্যুত হয় না, ভেদন ক্ষমতা বেশি; আবিষ্কারক রন্টজেন (1895)।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  7. ৪৬৭

    সূচনা কম্পাঙ্কের আলোর জন্য ধাতু থেকে নির্গত ইলেকট্রনের বেগ কত?

    • ক সর্বোচ্চ
    • খ শূন্য
    • গ সর্বনিম্ন
    • ঘ অসীম
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: খ) শূন্য

    সূচনা কম্পাঙ্ক f0 হলো সেই ন্যূনতম কম্পাঙ্ক যাতে ধাতু থেকে ইলেকট্রন নির্গত হতে শুরু করে।
    আইনস্টাইনের সমীকরণ: hf = W0 + ½mv2_max, এবং W0 = hf0।
    f = f0 হলে ½mv2_max = hf0 − hf0 = 0, অর্থাৎ নির্গত ইলেকট্রনের গতিশক্তি ও বেগ শূন্য।
    সূচনা তরঙ্গদৈর্ঘ্য λ0 = cf0 = hcW0; f > f0 হলেই কেবল ইলেকট্রন গতিশক্তি নিয়ে বের হয়।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  8. কোন মৌলে ফটোতড়িৎ ক্রিয়া হয়না?

    • ক সিজিয়াম
    • খ পটাসিয়াম
    • গ অ্যালুমিনিয়াম
    • ঘ সোডিয়াম
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: গ) অ্যালুমিনিয়াম

    অ্যালুমিনিয়ামের কার্যাপেক্ষক বেশি (W0 ≈ 4.2 eV), দৃশ্যমান আলোর ফোটন শক্তি (সর্বোচ্চ ≈ 3.1 eV) এর চেয়ে কম, তাই সাধারণ আলোয় Al-এ ফটোতড়িৎ ক্রিয়া হয় না।
    ফটোতড়িৎ ক্রিয়ার শর্ত: hf ≥ W0 = hf0, অর্থাৎ λ ≤ λ0 = hcW0।
    ক্ষার ধাতু সিজিয়াম (W0 ≈ 2.1 eV), পটাসিয়াম (≈ 2.3 eV), সোডিয়াম (≈ 2.3 eV) এর কার্যাপেক্ষক কম, তাই দৃশ্যমান আলোতেই ইলেকট্রন বের হয়; ফটোসেলে এদের ব্যবহার হয়।
    শর্টকাট: E(eV) = 1240λ(nm)।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  9. সূক্ষ্ম কম্পাঙ্কের আলোর জন্য ধাতু থেকে নির্গত হওয়া ইলেকট্রনের বেগ কত?

    • ক শূন্য
    • খ অসীম
    • গ কম
    • ঘ বেশি
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: ক) শূন্য

    সূচন কম্পাঙ্ক f0 সেই ন্যূনতম কম্পাঙ্ক যাতে ইলেকট্রন কোনোমতে ধাতুপৃষ্ঠ ত্যাগ করে।
    এখানে hf0 = W0, অর্থাৎ আপতিত ফোটনের সমস্ত শক্তি কার্যাপেক্ষক পূরণেই খরচ হয়।
    আইনস্টাইন সমীকরণ: (12)mvmax2 = hf − W0 = h(f − f0); f = f0 হলে v = 0।
    f > f0 হলে অতিরিক্ত শক্তি গতিশক্তি রূপে পাওয়া যায়, তাই বেগ কম্পাঙ্কের সাথে বাড়ে।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  10. ৪৭০
    আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা AFMC (আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল) ২০২২

    ফোটন সর্বপ্রথম আবিষ্কার করেন কে?

    • ক আলবার্ট আইনস্টাইন
    • খ ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক
    • গ গিলবার্ট লুইস
    • ঘ আইজ্যাক নিউটন
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: গ) গিলবার্ট লুইস

    "ফোটন" নামটি প্রথম ব্যবহার করেন রসায়নবিদ গিলবার্ট এন. লুইস, 1926 সালে।
    ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক 1900 সালে কোয়ান্টাম ধারণা দেন E = hf, h = 6.626 × 10−34 Js
    আইনস্টাইন 1905 সালে আলোক কণার ধারণা দিয়ে আলোক তড়িৎক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন: hf = W0 + ½mvmax2
    ফোটনের স্থির ভর শূন্য, ভরবেগ p = hfc = hλ

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  11. ৪৭১
    আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা AFMC (আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল) ২০২২

    একটি বস্তুকণার মোট শক্তি পরিমাপ করে এর স্থিতাবস্থার তিনগুণ পাওয়া গেল। বস্তুটির দ্রুতি কত?

    • ক (32)c
    • খ (23)c
    • গ (223)c
    • ঘ 32(2)c
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: গ) (223)c

    এখানে, মোট শক্তি E = 3E0, অর্থাৎ γ = 11 − v2c2 = 3
    E = m0c21 − v2c2 = 3m0c2 ⇒ 1 − v2c2 = 13 ⇒ 1 − v2c2 = 19
    v = c1 − 19 = c89 = (223)c ≈ 0.943c
    শর্টকাট: মোট শক্তি স্থির শক্তির n গুণ হলে v = c1 − 1n2 = (n2 − 1n) c।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  12. ৪৭২
    আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা AFMC (আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল) ২০২২

    কোন আলোক রশ্মি ত্বকে ভিটামিন-D তৈরিতে সাহায্য করে?

    • ক আলফা রশ্মি
    • খ আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি
    • গ বিটা রশ্মি
    • ঘ গামা রশ্মি
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: খ) আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি

    সূর্যালোকের আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি (বিশেষত UV-B, তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রায় 280 থেকে 315 nm) ত্বকের 7-ডিহাইড্রোকোলেস্টেরলকে ভিটামিন-D3 তে রূপান্তরিত করে।
    অতিবেগুনি রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রায় 10 nm থেকে 400 nm, দৃশ্যমান আলোর চেয়ে ছোট, কম্পাঙ্ক বেশি।
    অন্য ব্যবহার: জীবাণুমুক্তকরণ, জাল নোট শনাক্তকরণ; বেশি UV ত্বকের ক্যান্সার ঘটাতে পারে।
    আলফা ও বিটা আধানযুক্ত কণা, গামা উচ্চ শক্তির তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ; এগুলো তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াস থেকে আসে এবং কোষের ক্ষতি করে।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  13. ৪৭৩

    কোন বিজ্ঞানী শক্তির ক্ষুদ্রতম এককের নাম দেন 'কোয়ান্টাম'?

    • ক আব্দুল কাদের
    • খ আইনস্টাইন
    • গ ম্যাক্সওয়েল
    • ঘ ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: ঘ) ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক

    ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক 1900 সালে কৃষ্ণবস্তুর বিকিরণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন শক্তি অবিচ্ছিন্ন নয়, গুচ্ছ আকারে নির্গত ও শোষিত হয়; এই ক্ষুদ্রতম শক্তিগুচ্ছের নাম কোয়ান্টাম।
    E = hf = hcλ, প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবক h = 6.63 × 10−34 Js
    পরে আইনস্টাইন এই ধারণা আলোর ক্ষেত্রে প্রয়োগ করে ফোটন ধারণা দেন ও আলোক তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  14. ৪৭৪

    একটি ধাতব পৃষ্ঠে অতিবেগুনী রশ্মি আপতিত হলে কোন কণা নির্গত হয়?

    • ক আলফা পার্টিকেল
    • খ প্রোটন
    • গ ইলেকট্রন
    • ঘ নিউট্রন
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: গ) ইলেকট্রন

    ধাতব পৃষ্ঠে যথেষ্ট কম্পাঙ্কের আলো (যেমন অতিবেগুনী রশ্মি) পড়লে পৃষ্ঠ থেকে ইলেকট্রন নির্গত হয়, এ ঘটনার নাম আলোক তড়িৎ ক্রিয়া, নির্গত ইলেকট্রনকে বলে ফটোইলেকট্রন।
    আইনস্টাইনের সমীকরণ: hf = W0 + (12)mvmax2, এবং W0 = hf0 যেখানে f0 সূচন কম্পাঙ্ক
    f < f0 হলে আলোর তীব্রতা যত বেশিই হোক ইলেকট্রন বের হয় না; f > f0 হলে নির্গত ইলেকট্রনের সংখ্যা তীব্রতার সমানুপাতিক, কিন্তু সর্বোচ্চ গতিশক্তি কেবল কম্পাঙ্কের উপর নির্ভরশীল।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  15. কোন বস্তুর গতিশীল অবস্থায় দৈর্ঘ্য স্থির অবস্থার দৈর্ঘ্যের চেয়ে ছোট হলে তাকে কি বলা হয়?

    • ক কাল দীর্ঘায়ন
    • খ দৈর্ঘ্য সংকোচন
    • গ কাল প্রসারণ
    • ঘ কাল সংকোচন
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: খ) দৈর্ঘ্য সংকোচন

    গতিশীল অবস্থায় গতির অভিমুখে দৈর্ঘ্য ছোট দেখানোকে দৈর্ঘ্য সংকোচন (length contraction) বলে।
    L = L01 − v2c2, এখানে L0 স্থির দৈর্ঘ্য; v বাড়লে L কমে, v ≪ c হলে L ≈ L0।
    কাল দীর্ঘায়ন: t = t01 − v2c2, গতিশীল ঘড়ি ধীরে চলে।
    ভরের পরিবর্তন: m = m01 − v2c2।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  16. আইনস্টাইনের আপেক্ষিক তত্ত্ব অনুসারে বস্তুর বেগ বাড়লে এর ভর কী হবে?

    • ক বাড়বে
    • খ একই থাকবে
    • গ বেগের অনুপাত বাড়বে
    • ঘ কমবে
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: ক) বাড়বে

    আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব অনুসারে ভর বেগের উপর নির্ভরশীল।
    m = m01 − v2c2, এখানে m0 স্থির ভর, c = 3 × 108 ms−1
    বেগ v বাড়লে হর 1 − v2c2 ছোট হয়, তাই ভর m বাড়ে; v → c হলে m → ∞ হয়।
    দৈনন্দিন বেগে v ≪ c বলে ভরবৃদ্ধি ধরার মতো নয়, কিন্তু কণা ত্বরক যন্ত্রে এই বৃদ্ধি পরিমাপযোগ্য।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  17. ৪৭৭

    আলোর দ্রুতিতে চলমান কোনো কণার (particle) বস্তুর ভর কত?

    • ক শূন্য
    • খ দ্বিগুণ
    • গ অর্ধেক
    • ঘ অসীম
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: ঘ) অসীম

    আপেক্ষিকতার ভর-বেগ সম্পর্ক m = m01 − v2c2 অনুযায়ী v = c হলে হর শূন্য, তাই m অসীম।
    v বাড়লে ভর বাড়ে; v → c হলে m → ∞, তাই স্থির ভরযুক্ত কোনো বস্তুকে আলোর দ্রুতিতে ত্বরিত করা সম্ভব নয়, তাতে অসীম শক্তি লাগত।
    শুধু শূন্য স্থির ভরের কণা (যেমন ফোটন) আলোর দ্রুতিতে চলে।
    সম্পর্কিত সূত্র: E = mc2, E2 = p2c2 + m02c4, ফোটনের জন্য E = pc।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  18. ৪৭৮
    আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা AFMC (আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল) ২০২০

    কোয়ান্টাম তত্ত্বের জনক কে?

    • ক বিজ্ঞানী আইনস্টাইন
    • খ আর্নেস্ট রাদারফোর্ড
    • গ ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক
    • ঘ বিজ্ঞানী নিউটন
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: গ) ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক

    কোয়ান্টাম তত্ত্বের জনক ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক, তিনি 1900 সালে কৃষ্ণবস্তুর বিকিরণ ব্যাখ্যা করতে এ তত্ত্ব দেন।
    শক্তি অবিচ্ছিন্ন নয়, কোয়ান্টা নামক গুচ্ছ আকারে নির্গত ও শোষিত হয়: E = hf = hcλ।
    প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবক h = 6.626 × 10−34 J s, মাত্রা ML2T−1 (কৌণিক ভরবেগের মাত্রার সমান)।
    আইনস্টাইন এ ধারণা কাজে লাগিয়ে আলোক তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন (1905), রাদারফোর্ড দেন পরমাণুর নিউক্লিয়াস মডেল (1911)।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  19. নিচের কোনটি দ্বারা রঞ্জন রশ্মি তৈরি হয়?

    • ক আলফা রশ্মি
    • খ ক্যাথোড রশ্মি
    • গ বিটা রশ্মি
    • ঘ গামা রশ্মি
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: খ) ক্যাথোড রশ্মি

    উচ্চ বিভবে (প্রায় 104–105 V) ত্বরিত ক্যাথোড রশ্মি (দ্রুতগামী ইলেকট্রন) টাংস্টেন বা মলিবডেনামের মতো উচ্চ গলনাঙ্কের ভারী ধাতব লক্ষ্যবস্তুতে (অ্যানোড) আঘাত করে হঠাৎ থেমে গেলে রঞ্জন রশ্মি (X-ray) নির্গত হয়, কুলিজ নল এই নীতিতে কাজ করে।
    X-ray তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ, তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রায় 0.01–10 nm; সর্বনিম্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্য λmin = hceV, তীব্রতা নির্ভর করে ফিলামেন্ট প্রবাহের উপর, ভেদনক্ষমতা নির্ভর করে প্রয়োগকৃত বিভবের উপর।
    আবিষ্কারক রন্টজেন (1895); ইলেকট্রনের শক্তির প্রায় 1% X-ray হয়, বাকিটা তাপ। আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াস থেকে নির্গত হয়, X-ray উৎপাদনে এদের ভূমিকা নেই।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  20. ৪৮০
    আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা AFMC (আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল) ২০১৯

    কোনটির ওপরে আলো পড়লে ইলেকট্রন নির্গত হয় না?

    • ক Al
    • খ Na
    • গ K
    • ঘ Ca
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: ক) Al

    আলোক-তড়িৎ নিঃসরণের শর্ত: ফোটন শক্তি hf ≥ কার্য অপেক্ষক W0, অর্থাৎ λ ≤ সূচন তরঙ্গদৈর্ঘ্য λ0 = hcW0।
    কার্য অপেক্ষক: Na ≈ 2.3 eV, K ≈ 2.2 eV, Ca ≈ 2.9 eV, Al ≈ 4.1 eV। দৃশ্যমান আলোর সর্বোচ্চ ফোটন শক্তি (λ = 400 nm) = hcλ = 3.1 eV, তাই Na, K, Ca থেকে ইলেকট্রন বের হয়, Al থেকে হয় না (Al-এর জন্য অতিবেগুনি লাগে)।
    ক্ষার ধাতু (Na, K, Cs)-এর কার্য অপেক্ষক সবচেয়ে কম, তাই আলোক-তড়িৎ কোষে এদের ব্যবহার হয়।
    আইনস্টাইনের সমীকরণ: hf = W0 + ½mvmax2; নিঃসৃত ইলেকট্রনের সংখ্যা তীব্রতার উপর, সর্বোচ্চ গতিশক্তি কম্পাঙ্কের উপর নির্ভর করে।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা নিয়ে পরীক্ষা দাও

শুধু এই অধ্যায়ের প্রশ্ন দিয়ে একটা এক্সাম বানাও — সময় ধরে, নেগেটিভ মার্কিংসহ।

এক্সাম বানাও →

অন্যান্য অধ্যায়

১ভৌত জগৎ ও পরিমাপ৩৩৬টি২ভেক্টর৭০০টি৩গতিবিদ্যা৬৯৩টি৪নিউটনীয় বলবিদ্যা৮৭০টি৫কাজ, শক্তি ও ক্ষমতা৬৮২টি৬মহাকর্ষ ও অভিকর্ষ৬৮৪টি৭পদার্থের গাঠনিক ধর্ম৬৮৮টি৮পর্যাবৃত্ত গতি৫৮৬টি

সব অধ্যায় দেখো →

বেশিরভাগ ফিচার একদম ফ্রি · প্রিমিয়াম শুধু বাড়তি প্রস্তুতির জন্য হোমপেজে ফিরি