ডেন্টাল ২০১৮ — পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্ন ও সমাধান

ডেন্টাল ২০১৮ ভর্তি পরীক্ষার পদার্থবিজ্ঞান অংশ থেকে ৩০টি প্রশ্ন, প্রতিটির সঠিক উত্তর আর পূর্ণ ব্যাখ্যাসহ।

৩০ প্রশ্ন পাতা ২/২
সাল ধরে দেখো
২০২৪ ৮টি২০২৩ ১৯টি২০২২ ৩৩টি২০২১ ৩১টি২০২০ ২৪টি২০১৯ ২২টি২০১৮ ৩০টি২০১৭ ২৪টি২০১৬ ২০টি২০১০ ২০টি২০০৯ ২০টি২০০৮ ২১টি২০০৭ ২০টি২০০৬ ২০টি২০০৫ ২০টি২০০৪ ২০টি২০০৩ ২০টি২০০২ ২০টি
  1. ২১
    ভৌত আলোকবিজ্ঞান ডেন্টাল ২০১৮

    "আলোর তরঙ্গ তত্ত্ব" প্রদান করেন কোন বিজ্ঞানী?

    • ক ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস
    • খ আলবার্ট আইনস্টাইন
    • গ মাইকেল ফ্যারাডে
    • ঘ টমাস ইয়ং
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: ক) ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস

    1678 সালে ডাচ বিজ্ঞানী ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস আলোর তরঙ্গ তত্ত্ব প্রদান করেন, আলো ইথার মাধ্যমে তরঙ্গরূপে চলে; হাইগেনসের নীতি দিয়ে প্রতিফলন-প্রতিসরণ ব্যাখ্যা করা যায়।
    নিউটন কণা তত্ত্ব (1675), টমাস ইয়ং ব্যতিচার পরীক্ষা (1801) দিয়ে তরঙ্গ তত্ত্ব প্রমাণ করেন, ফ্রেনেল অপবর্তন ব্যাখ্যা করেন।
    ম্যাক্সওয়েল তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ তত্ত্ব (1864), প্ল্যাঙ্ক কোয়ান্টাম তত্ত্ব (1900), আইনস্টাইন ফোটন তত্ত্ব দিয়ে ফটোতড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা (1905)।
    আলোর সমবর্তন প্রমাণ করে আলো অনুপ্রস্থ তরঙ্গ।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  2. নিচের কোন কণার প্রতিকণা নেই?

    • ক ইলেকট্রন
    • খ হ্যাড্রন
    • গ লেপটন
    • ঘ ফোটন
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: ঘ) ফোটন

    ফোটন নিজেই নিজের প্রতিকণা, তাই এর আলাদা প্রতিকণা নেই; ফোটন আধানহীন, ভরহীন, স্পিন 1 বোসন। π0 মেসন ও গ্র্যাভিটনও নিজেরাই নিজেদের প্রতিকণা।
    প্রতিকণা: একই ভর ও স্পিন কিন্তু বিপরীত আধান ও কোয়ান্টাম সংখ্যার কণা; ইলেকট্রনের প্রতিকণা পজিট্রন (e+), প্রোটনের অ্যান্টিপ্রোটন, নিউট্রনের অ্যান্টিনিউট্রন, নিউট্রিনোর অ্যান্টিনিউট্রিনো।
    লেপটন (ইলেকট্রন, মিউয়ন, টাউ, নিউট্রিনো) ও হ্যাড্রন (প্রোটন, নিউট্রন, মেসন) সবার প্রতিকণা আছে।
    কণা-প্রতিকণা মিলিত হলে নিশ্চিহ্নকরণ (annihilation): e− + e+ → 2γ (প্রতিটি 0.51 MeV)।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  3. ২৩
    পর্যাবৃত্ত গতি ডেন্টাল ২০১৮

    কোন দোলক পিণ্ডের ব্যাস কমানো হলে কোন ঘটনাটি ঘটবে?

    • ক দোলক আস্তে চলবে
    • খ দোলকের কোন পরিবর্তন হবে না
    • গ দোলনকাল বাড়বে
    • ঘ দোলক দ্রুত হবে
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: ঘ) দোলক দ্রুত হবে

    সরল দোলকের কার্যকরী দৈর্ঘ্য L = সুতার দৈর্ঘ্য + পিণ্ডের ব্যাসার্ধ (ঝুলন বিন্দু থেকে পিণ্ডের ভরকেন্দ্র পর্যন্ত)।
    T = 2πLg অনুযায়ী পিণ্ডের ব্যাস কমালে L কমে, তাই দোলনকাল কমে ও দোলক দ্রুত চলে (ঘড়ি ফাস্ট হয়)।
    দোলনকাল পিণ্ডের ভর বা উপাদানের উপর নির্ভর করে না (ভরের সূত্র); ছোট বিস্তারে (< 4°) বিস্তারের উপরও নয় (সমকালীনতার সূত্র)।
    T ∝ L, T ∝ 1g ; গ্রীষ্মে সুতা প্রসারিত হলে L বাড়ে, ঘড়ি স্লো চলে।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  4. ২৪
    মহাকর্ষ ও অভিকর্ষ ডেন্টাল ২০১৮

    চাঁদের মুক্তি বেগ কত?

    • ক 11.2 kmsec
    • খ 2.4 kmsec
    • গ 4.3 kmsec
    • ঘ 5 kmsec
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: খ) 2.4 kmsec

    মুক্তি বেগ ve = 2GMR = 2gR, বস্তুর ভরের উপর নির্ভর করে না।
    এখানে, চাঁদে g = 1.62 ms−2, R = 1.74 × 106 m
    ve = 2 × 1.62 × 1.74 × 106 = 5.64 × 106 ≈ 2.37 × 103 ms−1 ≈ 2.4 km/s
    পৃথিবীর মুক্তি বেগ 11.2 km/s; চাঁদের মুক্তি বেগ কম বলে গ্যাস অণুর rms বেগের তুলনায় ধরে রাখতে পারে না, তাই বায়ুমণ্ডল নেই।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  5. শরৎ কালে কোন সময়ে শিশির পড়ে?

    • ক মেঘমুক্ত রাতে
    • খ পূর্ণিমার রাতে
    • গ অমাবস্যার রাতে
    • ঘ মেঘলা রাতে
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: ক) মেঘমুক্ত রাতে

    রাতে ভূপৃষ্ঠ ও ঘাস-পাতা বিকিরণে তাপ হারিয়ে ঠান্ডা হয়; সংস্পর্শের বাতাসের তাপমাত্রা শিশিরাঙ্কের নিচে নামলে জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে শিশির জমে।
    মেঘমুক্ত (পরিষ্কার) রাতে বিকিরিত তাপ মহাশূন্যে চলে যায়, তাই ভূপৃষ্ঠ দ্রুত ঠান্ডা হয় ও প্রচুর শিশির পড়ে; মেঘলা রাতে মেঘ তাপ ফিরিয়ে দেয়, শিশির কম।
    শিশিরের শর্ত: বাতাসে যথেষ্ট জলীয় বাষ্প, পরিষ্কার আকাশ, শান্ত বাতাস (জোর বাতাসে ঠান্ডা হওয়ার সুযোগ পায় না); শরৎ-হেমন্তে এ শর্ত পূরণ হয়।
    শিশিরাঙ্ক = যে তাপমাত্রায় বাতাসের জলীয় বাষ্প সম্পৃক্ত হয়; শিশিরাঙ্ক 0°C-এর নিচে হলে তুষার (frost) পড়ে। পূর্ণিমা বা অমাবস্যার সাথে শিশিরের সম্পর্ক নেই।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  6. অর্ধপরিবাহী নয় কোনটি?

    • ক অভ্র
    • খ সিলিকন
    • গ জার্মেনিয়াম
    • ঘ সেলেনিয়াম
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: ক) অভ্র

    অর্ধপরিবাহী: যার পরিবাহিতা পরিবাহী ও অন্তরকের মাঝামাঝি, নিষিদ্ধ শক্তি ব্যবধান ≈ 1 eV (Si 1.1 eV, Ge 0.7 eV); তাপমাত্রা বাড়লে পরিবাহিতা বাড়ে।
    সিলিকন, জার্মেনিয়াম (চতুর্যোজী মৌল), সেলেনিয়াম, GaAs, CdS, এগুলো অর্ধপরিবাহী।
    অভ্র (mica) একটি অন্তরক, নিষিদ্ধ ব্যবধান > 5 eV; ক্যাপাসিটরে ও তাপরোধী অন্তরক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
    বিশুদ্ধ SiGe অন্তর্জাত অর্ধপরিবাহী; পঞ্চযোজী (P, As, Sb) ভেজালে n-টাইপ, ত্রিযোজী (B, Al, Ga, In) ভেজালে p-টাইপ হয়।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  7. ফেরোচৌম্বক পদার্থ নয় কোনটি?

    • ক কোবাল্ট
    • খ নিকেল
    • গ বিসমাথ
    • ঘ লোহা
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: গ) বিসমাথ

    বিসমাথ ডায়াচৌম্বক পদার্থ, ফেরোচৌম্বক নয়; লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ফেরোচৌম্বক।
    ফেরোচৌম্বক: ক্ষেত্রে প্রবলভাবে চুম্বকিত হয়, χ অনেক বড় ও ধনাত্মক (102 থেকে 105), μr ≫ 1; উদাহরণ লোহা, নিকেল, কোবাল্ট, গ্যাডোলিনিয়াম ও এদের সংকর (স্টিল, অ্যালনিকো)।
    ডায়াচৌম্বক: ক্ষেত্রের বিপরীতে দুর্বলভাবে চুম্বকিত হয়, χ ছোট ও ঋণাত্মক, μr < 1; বিসমাথ সবচেয়ে প্রবল ডায়াচৌম্বক। অন্য উদাহরণ: তামা, রুপা, সোনা, পানি, জিংক।
    প্যারাচৌম্বক (অ্যালুমিনিয়াম, প্লাটিনাম, অক্সিজেন, ম্যাঙ্গানিজ): χ ছোট ধনাত্মক, μr সামান্য > 1।
    কুরি তাপমাত্রার উপরে ফেরোচৌম্বক পদার্থ প্যারাচৌম্বক হয়ে যায় (লোহা 770°C)।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  8. ২৮

    কোন দর্পণের উন্মেষ কত ডিগ্রি হলে তাকে ক্ষুদ্র উন্মেষ দর্পণ বলে?

    • ক > 10°
    • খ < 10°
    • গ > 15°
    • ঘ < 20°
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: খ) < 10°

    দর্পণের প্রান্তদ্বয় থেকে বক্রতা কেন্দ্রে অঙ্কিত রেখাদ্বয়ের মধ্যবর্তী কোণকে দর্পণের উন্মেষ (aperture) বলে।
    উন্মেষ 10°-এর কম হলে তাকে ক্ষুদ্র উন্মেষ দর্পণ বলে, এ ক্ষেত্রেই f = r2 সম্পর্ক এবং 1u + 1v = 1f সূত্র প্রযোজ্য।
    বড় উন্মেষের গোলীয় দর্পণে প্রান্তীয় রশ্মি ও অক্ষীয় রশ্মি একই বিন্দুতে মিলিত হয় না, একে গোলীয় অপেরণ (spherical aberration) বলে।
    বড় উন্মেষের দর্পণ প্রতিফলক দূরবীক্ষণে ব্যবহৃত হয়, সেখানে অধিবৃত্তীয় (parabolic) দর্পণ নিলে অপেরণ দূর হয়।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  9. ২৯
    জ্যোতির্বিজ্ঞান ডেন্টাল ২০১৮

    কৃষ্ণবিবর অঞ্চলের সীমাকে কী বলে?

    • ক সোয়ার্জশিল্ড ব্যাসার্ধ
    • খ নেবুলা
    • গ ঘটনা দিগন্ত
    • ঘ সাদা বামন
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: গ) ঘটনা দিগন্ত

    কৃষ্ণবিবর (black hole) এমন বস্তু যার পৃষ্ঠে মুক্তি বেগ আলোর বেগ c-এর সমান বা বেশি, তাই আলোও বেরোতে পারে না।
    কৃষ্ণবিবরের সীমানা বা যে গোলীয় পৃষ্ঠের ভেতর থেকে কিছুই বেরিয়ে আসতে পারে না তাকে ঘটনা দিগন্ত (event horizon) বলে।
    ঘটনা দিগন্তের ব্যাসার্ধই সোয়ার্জশিল্ড ব্যাসার্ধ: Rs = 2GMc2; সূর্যের ভর হলে Rs ≈ 3 km, পৃথিবীর জন্য ≈ 9 mm।
    নেবুলা হলো গ্যাস ও ধূলিকণার মেঘ (নক্ষত্রের জন্মস্থান); সাদা বামন হলো কম ভরের নক্ষত্রের শেষ পরিণতি।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

  10. ৩০
    পদার্থের গাঠনিক ধর্ম তপন স্যার · ডেন্টাল ২০১৮

    ব্লটিং পেপার কোন ধর্মের জন্য পানি শুষে নেয়?

    • ক সান্দ্রতার ক্রিয়ায়
    • খ পৃষ্ঠশক্তির ক্রিয়ায়
    • গ পৃষ্ঠটানের ক্রিয়ায়
    • ঘ কৌশিক ক্রিয়ায়
    সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: ঘ) কৌশিক ক্রিয়ায়

    ব্লটিং পেপারের সূক্ষ্ম ছিদ্রগুলো কৈশিক নলের মতো কাজ করে, কৈশিক ক্রিয়ায় পানি টেনে নেয়।

    এই প্রশ্নটার আলাদা পাতা দেখো →

ডেন্টাল ২০১৮ ধাঁচে পরীক্ষা দাও

এই প্রতিষ্ঠানের প্রশ্ন দিয়েই এক্সাম বানাও — সময় ধরে, নেগেটিভ মার্কিংসহ।

এক্সাম বানাও →

← পুরো প্রশ্নব্যাংক

বেশিরভাগ ফিচার একদম ফ্রি · প্রিমিয়াম শুধু বাড়তি প্রস্তুতির জন্য হোমপেজে ফিরি