বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে ত্রিযোজী ও পঞ্চযোজী মৌল ডোপিং করে যথাক্রমে X ও Y এক্সট্রিন্সিক (বহির্জাত) অর্ধপরিবাহী তৈরি করা হয়।
Y – X – Y বিন্যাসে যুক্ত করে যে ডিভাইস তৈরি হয় তা দিয়ে নিম্নের কোন কার্যক্রমটি সক্ষম হয় ?
- ক তড়িৎ সংকেত পরিবর্তন
- খ লজিক পরিবর্তন
- গ ভোল্টেজ পরিবর্তন
- ঘ কারেন্ট পরিবর্তন
সঠিক উত্তর
ক) তড়িৎ সংকেত পরিবর্তন
ব্যাখ্যা
Y–X–Y অর্থাৎ n–p–n বিন্যাসে যুক্ত করলে n-p-n ট্রানজিস্টর তৈরি হয়। ট্রানজিস্টর দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধিত করে — অর্থাৎ তড়িৎ সংকেতের পরিবর্তন (বিবর্ধন) সম্পাদন করে।
এরকম আরও প্রশ্ন নিয়ে পরীক্ষা দাও
সেমিকন্ডাক্টর ও ইলেকট্রনিক্স অধ্যায়ের প্রশ্ন দিয়ে নিজের এক্সাম বানাও — সময় ধরে, ফল সাথে সাথে।
সেমিকন্ডাক্টর ও ইলেকট্রনিক্স অধ্যায়ের আরও প্রশ্ন
ধাতুতে মুক্ত ইলেকট্রনের ঘনত্ব অর্ধপরিবাহীর তুলনায় কেমন?একটি বহির্জাত অর্ধপরিবাহীকে খুব উচ্চ তাপমাত্রায় নিলে কী ঘটে?বিমুখী বায়াসে প্রবাহ প্রয়োগ বিভবের সাথে কীভাবে বদলায়?চিত্রটি কোন গেট নির্দেশ করে?কমন-এমিটার সংযোগে প্রবাহ লাভ β ও কমন-বেস লাভ α-এর সম্পর্ক কোনট…বিমুখী বায়াসে যে ক্ষীণ প্রবাহ বয়, তা কাদের কারণে?একটি n-p-n ট্রানজিস্টরের নিঃসারকে 10−6 sec-এ 1010 সংখ্যক ইলেকট…তাপমাত্রা বাড়লে অন্তর্জাত অর্ধপরিবাহীর পরিবাহিতা—