মৃত্যুপর্ব শুরুর মুহূর্তে যদি কোনো তারকার ভর 1.4 M0 এর বেশি থাকে, তবে কোনোভাবেই এটি শ্বেত বামন হতে পারবে না। ভরের এই সীমাকে বলা হয়—
- ক নিউটন সীমা
- খ আইনস্টাইন সীমা
- গ চন্দ্রশেখর সীমা
- ঘ শোয়ার্জশিল্ড সীমা
সঠিক উত্তর
গ) চন্দ্রশেখর সীমা
ব্যাখ্যা
শ্বেত বামন তারকাকে মহাকর্ষীয় সংকোচন থেকে রক্ষা করে ইলেকট্রন অপজাত চাপ (electron degeneracy pressure)। ভারতীয় বংশোদ্ভূত বিজ্ঞানী সুব্রহ্মণ্যম চন্দ্রশেখর দেখান যে, এই চাপ সর্বোচ্চ প্রায় 1.4 M0 ভরের তারকাকে টিকিয়ে রাখতে পারে।
তাই শ্বেত বামনের সর্বোচ্চ ভরসীমা 1.4 M0-কে চন্দ্রশেখর সীমা বলে। এর বেশি ভরের তারকা নিউট্রন তারকা বা কৃষ্ণগহ্বরে পরিণত হয়। এ আবিষ্কারের জন্য তিনি ১৯৮৩ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
তাই শ্বেত বামনের সর্বোচ্চ ভরসীমা 1.4 M0-কে চন্দ্রশেখর সীমা বলে। এর বেশি ভরের তারকা নিউট্রন তারকা বা কৃষ্ণগহ্বরে পরিণত হয়। এ আবিষ্কারের জন্য তিনি ১৯৮৩ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
এরকম আরও প্রশ্ন নিয়ে পরীক্ষা দাও
জ্যোতির্বিজ্ঞান অধ্যায়ের প্রশ্ন দিয়ে নিজের এক্সাম বানাও — সময় ধরে, ফল সাথে সাথে।
জ্যোতির্বিজ্ঞান অধ্যায়ের আরও প্রশ্ন
উদ্দীপকটি পড় এবং ২৫নং ও ২৬নং প্রশ্নের উত্তর দাও:একটি নক্ষত্রে…মহাজাগতিক পটভূমি বিকিরণের বর্তমান তাপমাত্রা প্রায় কত?H-R চিত্রে শ্বেত বামন নক্ষত্র কোথায় থাকে?কৃষ্ণগহ্বর হলো একটি তারকা যার —ঘনত্ব প্যারামিটার Ω-এর মান 1-এর অধিক হলে মহাবিশ্বের আকৃতি হবে—কেন্দ্রের হাইড্রোজেন ফুরিয়ে গেলে সূর্যের মতো নক্ষত্রের কী হয়…সুপারনোভার ভর সৌরভরের কতগুণ ?সূর্যের মধ্যে ফিউশন বিক্রিয়ায় হাইড্রোজেন থেকে তৈরি হয়—