সীবেক ক্রিয়া কত সালে আবিষ্কৃত হয়?

চল তড়িৎ ২য় পত্র ডেন্টাল ২০০৩ dat03_03

সঠিক উত্তর

গ) 1821 খৃষ্টাব্দ

ব্যাখ্যা

1821 সালে জার্মান বিজ্ঞানী টমাস সীবেক আবিষ্কার করেন: দুটি ভিন্ন ধাতুর তার দিয়ে বদ্ধ বর্তনী তৈরি করে সংযোগস্থল দুটি ভিন্ন তাপমাত্রায় রাখলে বর্তনীতে তড়িৎপ্রবাহ চলে। একে সীবেক ক্রিয়া বা তাপ-তড়িৎ ক্রিয়া বলে, উৎপন্ন তড়িচ্চালক শক্তিকে তাপ-তড়িচ্চালক শক্তি বলে।
এই তড়িচ্চালক শক্তি সংযোগস্থলের তাপমাত্রার পার্থক্য ও ধাতু-যুগলের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে; থার্মোকাপল (তাপযুগল) এই নীতিতে কাজ করে।
পেলটিয়ার ক্রিয়া (1834, সীবেক ক্রিয়ার বিপরীত): দুই ধাতুর সংযোগস্থল দিয়ে প্রবাহ চালালে এক সংযোগস্থল উত্তপ্ত ও অন্যটি শীতল হয়।
টমসন ক্রিয়া: অসমভাবে উত্তপ্ত একটিমাত্র পরিবাহীতে প্রবাহ চালালে কোথাও তাপ উৎপন্ন ও কোথাও শোষিত হয়।

এরকম আরও প্রশ্ন নিয়ে পরীক্ষা দাও

চল তড়িৎ অধ্যায়ের প্রশ্ন দিয়ে নিজের এক্সাম বানাও — সময় ধরে, ফল সাথে সাথে।

এক্সাম বানাও →

চল তড়িৎ অধ্যায়ের আরও প্রশ্ন

প্রতিটি 60W - এর 5টি বাতি কয়েক ঘণ্টা করে জ্বালানো হয়। প্রতি ইউ…রোধ নিচের কোন বিষয়ের উপর নির্ভর করে না?যদি 5A তড়িৎ 3 ঘণ্টা ধরে একটি বাতির মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয় ত…একই উপাদানের একটি মোটা ও একটি চিকন তারের রোধ ও আপেক্ষিক রোধ সম…তড়িৎচালক শক্তির একক হলো---একটি ধাতব পরিবাহীর তাপমাত্রা বাড়ালে নিচের কোনটি ঘটে?বর্তনীর মূল প্রবাহ কত?কোন পরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ বাড়ে-

চল তড়িৎ অধ্যায়ের সব প্রশ্ন →

বেশিরভাগ ফিচার একদম ফ্রি · প্রিমিয়াম শুধু বাড়তি প্রস্তুতির জন্য হোমপেজে ফিরি